আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাসাউড়ার আনারস শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপকভাবে বিক্রি হচ্ছে। রবিবার দুপুরে বালুর মাঠ এলাকায় প্রায় ২৬টি আনারসের দোকানের সবগুলোতে হাসাউড়ার আনারসে ভরা দেখতে পাওয়া যায়। মূলত আনারসের স্থানীয় চাহিদার অধিকাংশই পূরণ হয় হাসাউড়ার আনারস দিয়ে। আনারসের উৎপাদন এ বছর খুবই ভাল হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
শহরের উকিলপাড়া পয়েন্ট এলাকায় হাসাউড়া বাগের আনারস প্রচুর বেচাকেনা হচ্ছে। এ ছাড়াও জুবিলী স্কুলের পাশে, পুরাতন জজ কোর্ট এলাকায়, ট্রাফিক পয়েন্ট, কালীবাড়ি পয়েন্ট ও সুরমা মার্কেট রোডে এই আনারস বিক্রি হতে দেখা যায়।
হলদে ও বড় সাইজের পাকা আনারস প্রতি হালি ৭০ টাকা, ৮০ টাকা, ১শত টাকা, ১শত ২০ টাকা থেকে ১শত ৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। এই রমজান মাসে রোজাদারদের ইফতারে বেশি কাজে লাগছে এবারের আনারস। রসে, ঘ্রাণে ও মিষ্টিতে ভরপুর এই আনারস জেলার বাইরেও বেচাকেনা হচ্ছে বলে জানান আনারস ব্যবসায়ীরা।
ইব্রাহীমপুরের আনারস ব্যবসায়ী মন্টু দাস ও জুনেদ হোসেন বলেন, ‘এবার হাসাউড়া থেকে প্রচুর আনারস শহরে এসেছে। আমরা প্রতিদিন এই আনারস বিক্রি করি।’ হাসাউড়া এলাকার বাসিন্দা ও আনারস বিক্রেতা মো. আব্দুল আলীম বলেন, ‘এবার আনারসের ফসল ভাল হয়েছে। আনারস সাইজে বড়ও হয়েছে। ১ শত ২০ টাকা থেকে ১শত ৩০ টাকা দরে প্রতি হালী আনারস বিক্রি করছি। আমার ৫ কেয়ার জমির আনারস এবার প্রায় তিন লাখ টাকা বিক্রি হবে।’
হাসাউড়া আনারসের একটি বাগের মালিক জসীম উদ্দিন বলেন, ‘আমার তিন কেয়ার জমির আনারস গত বছর ১ লাখ টাকা বিক্রি করেছিলাম, এবার বিক্রি হবে আরো বেশি। এবার ফসল ভাল হয়েছে।’
হাছননগর এলাকার জহিরুদ্দীন ও সেলিম আহমদ বলেন, সকাল থেকে প্রচুর পরিমাণে আনরস বিক্রি করেছি।’
ষোলঘরের বাসিন্দা রাজিয়া বেগম বলেন, ‘আমি সুন্দর আনারস দেখে কিছু আনারস ক্রয় করে বিক্রি শুরু করেছি। লাভ তো কিছু হবেই। আর কয়দিন মাত্র আনারস বিক্রি হবেই।’
- বৃটেনে কর্মরত বাংলামিডিয়ার সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল
- জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সভা


