যত্রতত্র অটো সিএনজি স্ট্যান্ড

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ পৌর এলাকায় যত্রতত্র গড়ে উঠছে অবৈধ অটো ও সিএনজি স্ট্যান্ড। চলাচল সড়কের পাশে এলোমেলো এসব অস্থায়ী স্ট্যান্ড গড়ে উঠায় বিপাকে সাধারণ মানুষ। যাত্রীর ডাক পড়লেই থামে চাকা, হোক রাস্তার মাঝে বা সাইডে। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা।
শহরের সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা আলফাত স্কয়ার। এই চত্ত্বর থেকে ত্রিমুখি রাস্তা তিন দিক দিয়ে গেছে। ফলে সব সময়ই যানের ধীরগতি থাকে এখানে। অথচ এই চত্ত্বরের চারপাশে অবৈধ অস্থায়ী অটো রিকশা ও সিএনজি স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। সার্বক্ষণিক ট্রাফিক পুলিশের সদস্য এলাকাটি দেখভাল করলেও কোনোভাবেই যেনো গাড়ি দাঁড় করানো থামানো যাচ্ছে না। একই অবস্থা শহরের কাজির পয়েন্ট, ষোলোঘর পয়েন্ট ও কোর্টের সামনের এলাকায়।
পৌরসভার বাসিন্দা জাহানুর আলম বলেন, ছোট একটি শহর, অন্য শহরের মতো পর্যাপ্ত সড়ক নেই। একটি সড়ক রয়েছে শহরে প্রবেশ করার। এই সড়কের পাশে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অটো রিকশা ও সিএনজির স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। তাদেরকে যদি সরানো না যায় তাহলে ভোগান্তি বাড়তেই থাকবে।
পুরাতন বাস স্টেশন এলাকার বাসিন্দা অ্যাড. মাহবুবুল হাছান শাহীন বলেন, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও স্ট্যান্ড গড়ে তুলা বন্ধ করতে হবে। না হয় পথের ভোগান্তি কমবে না।
সুনামগঞ্জ সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক’এর) সহসভাপতি অ্যাড. খলিল রহমান বলেন, দিনের বেলা শহরে ট্রাক প্রবেশ নিষেধ। খুবই ভালো উদ্যোগ, অটো রিকশা অবৈধ হলেও অনেকে জীবিকার তাগিদে সচল রেখেছেন, তবে এই অটোরিকশা ও সিএনজির সঠিক সংখ্যা বের করা দরকার, কতগুলো শহরের ভেতর চলবে তা নির্ধারণ করে দেবে পৌরসভা, কিন্তু তারা এটা করছেন না, এরফলে শহরে প্রায়ই যানজটের ঘটনা ঘটছে। যত্রতত্র এসব যান রাখছেন চালকরা। এবিষয়ে পৌরসভা ও ট্রাফিক বিভাগের উদাসিনতা আছে বলে মনে করেন তিনি।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোশাররফ হোসেন বলেন, কোথাও অবৈধভাবে স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে কি না, সেটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেখাশোনা করবে। শহরের যানজট নিরসন করতে পৌরসভার প্রতিটি সড়ক প্রস্ততকরণের কাজ হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সুনামগঞ্জের ট্রাফিক ইন্সেপেক্টর মো. শামছুল আলম বলেন, আমরা যতটুকু পারি চেষ্টা করছি। সুনামগঞ্জ শহরে কোথাও পার্কিং ব্যবস্থা নেই, এ কারণে এসব এলাকায় যে কেউ কেনাকাটা করতে আসলে গাড়ি রেখে মার্কেটে যায়, তবে আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে, সবার সম্মিলিত উদ্যোগে শহরের পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরবে এমনটি প্রত্যাশা এই কর্মকর্তার।