যুদ্ধাপরাধ: সাখাওয়াতসহ ৯ জনের রায় যেকোনো দিন

সু.খবর ডেস্ক
যশোর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) জাতীয় পার্টির নেতা সাখাওয়াত হোসেনসহ ৯ জনের একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় দেওয়া হবে যেকোনো দিন।
বৃহস্পতিবার প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে বিচারপতি আনোয়ার”ল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন।
এ মামলার আসামিদের মধ্যে জাতীয় পার্টির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সাখাওয়াত, মো. বিল্লাল হোসেন বিশ্বাস এবং মো. লুৎফর মোড়ল শুনানির সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইব্রাহিম হোসেন, শেখ মজিবুর রহমান, এম এ আজিজ সরদার, কাজী ওহিদুল ইসলাম এবং আবদুল খালেক পলাতক।
একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগসহ পাঁচ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে ওই ৯ জনের বির”দ্ধে। এর মধ্যে অপহরণের পর হত্যা ও অগ্নিসংযোগের দুটি করে এবং বাকি অভিযোগগুলো ধর্ষণ, গণহত্যা, অপহরণ, আটক এবং নির্যাতনের।
গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই ৯ জনের বিচার শুর” করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গত ৯ ফেব্র”য়ারি থেকে শুর” হয় এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। প্রসিকিউশন পক্ষে সাক্ষ্য দেন ১৭ জন। তবে আসামিপক্ষে কোনও সাফাই সাক্ষী ছিল না।
এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে আসামিদের বির”দ্ধে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম। এতে ট্রাইব্যুনালের কাছে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ- (ফাঁসি) প্রার্থনা করেন তিনি। অপরদিকে সাখাওয়াতের পক্ষে ছিলেন আব্দুস সাত্তার পালোয়ান এবং অন্য আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আবদুস শুকুর খান।
গত বছরের ১৪ জুন তাদের বির”দ্ধে পাচঁ ধরনের অভিযোগ আনে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। মোট ১২ আসামির মধ্যে তিন জনের বির”দ্ধে ‘অভিযোগের উপাদান’ না পাওয়ায় ৮ সেপ্টেম্বর তাদেরকে অব্যাহতি দেন ট্রাইব্যুনাল।
২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরখান থেকে সাখাওয়াতকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
২০১০ সালের ফেব্র”য়ারি মাসে কেশবপুরের সার”টিয়া গ্রামের কাবিল হোসেনকে হত্যার অভিযোগে তার মেয়ে হামিদা খাতুন বাদী হয়ে যশোর আমলি আদালতে ১৬ জনের বির”দ্ধে মামলা করেন।