Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
রাতারাতি বেড়েছে ফলের দাম – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

রাতারাতি বেড়েছে ফলের দাম

লিপসন আহমেদ
নিয়ন্ত্রণহীন হচ্ছে ফলের বাজার। যেন দেখার কেউ নেই। ফল বিক্রেতারা বলছেন, ‘সারা বছরে তেমন একটা বিক্রি হয় না তাই এই সময় ফলের মূল্য কিছুটা বাড়িয়ে আমরা বিক্রি করি।’ আবার কেউ বলছেন চাহিদা বেশী হওয়ায় দামও বেশী। বিক্রেতাদের এমন মানসিকতায় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে যাচ্ছে ফলের বাজার। বাজারে ক্রেতাদের ভিড় থাকলেও হঠাৎ মূল্য বৃদ্ধিতে এবং চাহিদামাফিক কিনতে না পেরে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন অনেক ক্রেতা।
শনিবার বিকালে পৌর শহরের ফল বাজার ঘুরে দেখা যায়, ১০ টাকা থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে আম, আপেল, ডালিম, নাশপাতি, অস্ট্রেলিয়ান আঙ্গুর, ইন্ডিয়ান আঙ্গুর, লাল আঙ্গুর, বড়ই, খেজুর, সবুজ আপেল, কলা ও আনারসের দাম।
তবে ফল ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক জাতের ফল বাজারে বেশি বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য ফলে যাতে লোকসান না হয় সে জন্য কয়েক জাতের ফলের দাম রাতারাতি কিছুটা বেড়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, কলা প্রতিহালি ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা, আম কেজি প্রতি ৮০ থেকে ১০০টাকা, আনারস হালি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, গালা আপেল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, ডালিম ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, নাশপাতি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, অস্ট্রেলিয়ান আঙ্গুর ৪০০ থেকে ৪৬০ টাকা, ইন্ডিয়ান আঙ্গুর ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, লাল আঙ্গুর ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, বড়ই খেজুর ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।
ফল ব্যবসায়ী সামছুল আহমেদ বলেন, ‘বাজারে ফলের মূল্য তেমন একটা বাড়েনি, তবে আম, আপেল, বস্তার খেজুর, আঙ্গুর সহ হাতেগোনা কয়েকটা ফলের মূল্য বেড়েছে।
ফল কিনতে আসা পরশ আহমেদ বলেন, ‘এক রাতের ব্যবধানে ফলের মূল্য প্রতি কেজিতে দ্বিগুণ বেড়েছে। এই রকম ফলের মূল্য বাড়তে থাকলে আমাদের ফল খাওয়া বন্ধ করতে হবে।’
উকিল পাড়ার বাসিন্দা সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘রমজান আসলেই যেন লাগামহীন হয়ে যায় বাজার। লুটপাটের সুযোগও বেড়ে যায়। ইচ্ছে মতো বাজারে সব জিনিসের মূল্য বাড়িয়ে দেয়া হয়। আমি এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাই।’
ফল ব্যবসায়ী সাইদ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের কাছে এমনও অনেক জাতের ফল রয়েছে যেগুলি আমদানি করতে পরিবহন খরচ বেশী হয়। এছাড়া সারা বছর তো আমাদের তেমন একটা বিক্রি হয় না। তাই এই সিজনে আমরা ফলের মূল্য কিছুটা বাড়িয়ে বিক্রি করি। আমাদেরও তো চলতে হবে।’