Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
রোহিঙ্গাদের জন্য ৬ মাসে লাগবে ২০ কোটি ডলার – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

রোহিঙ্গাদের জন্য ৬ মাসে লাগবে ২০ কোটি ডলার

সু.খবর ডেস্ক
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও দেশটির বৌদ্ধ মগদের সহিংসতায় বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য আগামী ছয় মাসে ২০ কোটি ডলার খরচ হবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক রবার্ট ড. ওয়াটকিন্স শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন। মিয়ানমারের রক্তাক্ত সহিংসতার শিকার হয়ে গত ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ২২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। দেশটির কয়েকটি পুলিশ চেকপোস্টে হামলাকে কেন্দ্র করে এই সহিংসতা শুরু হয়। হামলায় ১২ জন পুলিশ সদস্য মারা যায় বলে দাবি মিয়ানমারের।
প্রসঙ্গত,বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে এর আগেও ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। তারা এখন বাংলাদেশেই অবস্থান করছে।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের সাহায্যের জন্য ৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের আহ্বান জানায়। কিন্তু তারপর আরও অনেক রোহিঙ্গা পালিয়ে এসেছে।
শুক্রবার ঢাকায় বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়াটকিন্স বলেন, ‘এখন আমরা ২০ কোটি ডলার সাহায্য চাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘এটি একেবারে নিশ্চিত হিসাব নয়, তবে আমরা যে তথ্য পেয়েছি তার ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা। যা আগামী ছয় মাসে প্রয়োজন হবে।’
জাতিসংঘের এই প্রতিনিধি আরও বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিক এই সাহায্যের আবেদন করছি, কারণ আমরা জানতে পেরেছি যে, তারা (রোহিঙ্গা) আগামী ছয় মাস এখানে অবস্থা করবে।’
ওয়াটকিন্স বলেন, ‘গত ২৫ আগস্ট থেকে যে হারে রোহিঙ্গা নিধন হয়েছে তা, ১৯৯০ সালে যুগোশ্লাভিয়ায় যে জাতিগত নিধন হয়েছিল তাকেও হার মানিয়েছে। এটি বিস্ময়ের ব্যাপার যে, এতো অল্প সময়ে বহু লোক পালিয়ে এসেছে।’
তিনি জানান, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট বৃষ্টিতে এখানকার রাস্তা-ঘাট কর্দমাক্ত হয়ে যাচ্ছে। ফলে ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নে কাজ করছে জাতিসংঘ।