লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা

লন্ডন প্রতিনিধি
লন্ডনে এসে পৌঁছেছেন বাংলাদেশর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লন্ডন সময় বিকেল চারটা সাতান্ন মিনিটে হিথ্রো বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে বিমান বন্দরে তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বৃটেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান, প্রেস মিনিষ্টার সাংবাদিক নাদিম কাদির, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট সুলতান মাহমুদ শরীফ, সেক্রেটারী সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক।
বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় সেন্ট্রাল লন্ডনে বাকিংহ্যাম প্যালেসের অদূরে তাজ হোটেলে। হোটেল গেটে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরন করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, যুব লীগের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ফখরুল ইসলাম মধু, সেক্রেটারী সেলিম আহমদ খান, যুগ্ম সম্পাদক জামাল আহমদ খান, মহিলা আওয়ামী লীগের হোসনেয়ারা মতিন, খালেদা কোরেশী, আঞ্জুমানয়ারা অঞ্জু, তরুল লীগের জোবায়ের আহমদ, স্বেচ্চাসেবক লীগের সাদ আহমদ সাদ সহ অন্যান্য সংগঠনের সদস্যরা।
প্রধানমন্ত্রী দুদিন লন্ডনে অবস্থান করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী। লন্ডনে অবস্থানকালীন সময় প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটাবেন।
লন্ডনে দুই দিন অবস্থানের পর  বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায়  অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল উইমেন লিডারস ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী লন্ডন ত্যাগ করবেন । সেখানে বুধ থেকে শুক্রবার অনুষ্ঠেয় উইমেন লিডারস ফোরামে অংশ নেবেন তিনি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার নারী নেতাদের উপস্থিতিতে ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।  
সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর সোয়া ১টায় সোফিয়ায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ওই দিন বিকেলে বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট রোসেন প্লেনেলিয়েভের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে করবেন শেখ হাসিনা। এরপর রাতে ইউনেস্কো মহাসচিব ইরিনা বোকোভার দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।
শুক্রবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভ। বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি চুক্তিও হতে পারে। সফর শেষে ২০ মে রাতে সোফিয়া থেকে রওনা হয়ে ২১ মে (শনিবার) সকালে ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
১৫মে  রবিবার  বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী, ঢাকায় হযরত শাহ জালাল বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানান শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরটি যখন হিথ্রো বিমান বন্দর থেকে হোটেলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে তখন হোটের বাইরে অবস্থান নেয় যুক্তরাজ্য বিএনপির ব্যানারে ইউকে বিএনপি, হেফাজতে ইসলাম ও জামাতের অনুসারীরা। এসময় বিএনপি-জামাত-হেফাজত সদস্যদের বিভিন্ন ব্যানার ফেষ্টুন নিয়ে দেশবিরুধী শ্লোগান দিতে দেখা যায়।