লন্ডনে বঙ্গবন্ধু লেকচার সম্পন্ন

লন্ডন প্রতিনিধি
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে লন্ডনে এ্যানুয়াল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লেকচার সম্পন্ন হয়েছে। ব্রিটেনের সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ্যানুয়াল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লেকচার এর এই অনলাইন ইভেন্টে – “হিস্টোরিচিং দ্যা বীরঙ্গনা : ট্রাচিং দ্যা পাস্ট, পেজেন্ট এন্ড ফিউচার, ট্রাজেকটোরিজ অফ দ্যা বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার অব ১৯৭১” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) বিকেলে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের প্রফেসর এডওয়ার্ড সিম্পসনের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ও সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আনসার আহমদ উল্লাহর সূচনা পর্বে লন্ডনে অনলাইন ইভেন্টে- এ্যানুয়াল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লেকচারের এই পর্বে মুখ্য আলোচক হিসেবে অংশ নেন- ইংল্যান্ডের ডারহাম ইউনিভার্সিটির এন্ত্রোলজি বিভাগের প্রফেসর নয়নিকা মুখার্জি।
অনুষ্ঠান শেষ পর্বে ভোট অব থ্যান্কস প্রদান করেন সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানের সহযোগী পার্টনার ছিলো সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন।
নির্ধারিত এই লেকচারে আলোচনায় উঠে আসে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনাদের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যতের কথা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ হওয়ার পাশাপাশি ১০ লাখ মা-বোন নির্যাতনেরও শিকার হন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁদের সম্মানের নাম দেন ‘বীরাঙ্গনা।’ কিন্তু সামাজিক ও পারিবারিক কারণে কোনো নারীই তখন তাঁদের ওপর ওপর নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ করতে চাইতেন না। তবে এর ব্যতিক্রম হয়েছেন কেউ কেউ। ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীই প্রথম ব্যতিক্রমী নারী যিনি তাঁর ওপর নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ করেন। তাঁর নামের সঙ্গেও যুক্ত করেন বীরঙ্গনা শব্দটি। বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করে এক বীরাঙ্গনা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে।
লেকচারে আরো তুলে ধরা হয়- ১৯৭১ সালের বীরাঙ্গনা যুদ্ধ শিশুদের বর্তমান ও ভবিষ্যত চিত্র। ভবিষ্যতে যাতে এই বীরাঙ্গনা শিশুরা তাদের সামাজিকভাবে সাপোর্ট পায়, চাকুরী পায় এটি তাদের অধিকার। তাদের এই অধিকার আদায়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।