শান্তিগঞ্জ অফিস
শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের জয়কলস গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার বেলা ১১টায় জয়কলস গ্রামের পূর্বে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের উপর। আহতদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ৬ ব্যক্তিকে আটক করেছে। নিহত ব্যক্তির নাম লালু মিয়া (৪৫), তিনি জয়কলস গ্রামের ওয়ারিশ আলীর ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই বিকাল সাড়ে ৩ টায় তার মৃত্যু ঘটে।
আহতরা হলেন মৃত. নোয়াজ আলীর ছেলে আমির আলী (৫৫), আমির আলীর ছেলে হেলাল মিয়া (৩৫), রইছ উদ্দিনের ছেলে ছালে আহমদ ও সাইদ আহমদ (২২) এবং হোসেন আহমদের ছেলে সৈয়দুর রহমান (২৮)।
জানা যায়, শনিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে জয়কলস গ্রামের সিএনজি চালক হেলাল মিয়া প্রতিবেশী শহীদ মিয়ার পক্ষের একজনের গরুকে নিজের সিএনজি দিয়ে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনায় বিরোধের সৃষ্টি হয়।
রবিবার সকাল ৯ টায় গ্রামবাসী জয়কলস পয়েন্টে উভয়পক্ষকে নিয়ে এক সালিশ বৈঠকে বসে। সালিশ বৈঠক চলাকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়।
পুলিশ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জয়কলস গ্রামের রহিম আলীর ছেলে নজির আলী (৩৫), সুফিয়ান মিয়ার ছেলে রিমন মিয়া (১৯), আছকির আলীর ছেলে নিজাম উদ্দিন (১৭), নাজিম উদ্দিনের ছেলে মুজিব মিয়া (২৮), মাসুক মিয়ার ছেলে জানে আলম (১৭) ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জগজীবনপুর গ্রামের রাকিব আলীর ছেলে জুনাইদ আহমদ সুমন (২২) কে আটক করেছে।
শান্তিগঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক আলাউদ্দিন বললেন, পুলিশ মারপিটের ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আটকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত আছে।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মোক্তাদির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংঘর্ষের ঘটনায় আহত লালু মিয়া সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকালে মারা গেছেন বলে শুনেছি।
- দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে সিপিবি’র মানববন্ধন
- ধর্মপাশায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০


