সু.খবর ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি জানাতে আরও দুই মাস সময় চেয়েছে পুলিশ।
বুধবার নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার ও বন্দর থানার ওসি আদালতের কাছে এ সময় প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে এফিডেভিট করে নতুন করে প্রতিবেদন দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু এ তথ্য জানিয়ে বলেন, আগের প্রতিবেদনে পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এর আগে গত ২৯ মে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনকে ‘দায়সারা’ উল্লেখ করে তা গ্রহণ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে শুনানি হবে।
ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে গত ১৩ মে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে প্রথমে স্থানীয় একদল লোক মারধর করে। পরে এমপি সেলিম ওসমান ও স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয়।
এ ঘটনায় গত ১৮ মে হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন। এ বিষয়ে প্রশাসন কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে রুলে তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বন্দর থানার ওসিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেন আদালত।
পরে পৃথক দুটি প্রতিবেদন দাখিল করা হলে বিষয়টিকে ‘দায়সারা’ উল্লেখ করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন আদালত। এরপর ৮ জুনের মধ্যে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন আদালত। এর পরও কোনো দায়সারা প্রতিবেদন দেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্কও করেন হাইকোর্ট।
- ছাতকে ডাচবাংলা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ৮ লাখ টাকা নিয়ে উধাও ডিএসআর
- তাহিরপুরে ২৯ চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বায়েজাপ্ত


