Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
শিমুলবাগে দর্শনার্থীদের আগমন বাড়ছে – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

শিমুলবাগে দর্শনার্থীদের আগমন বাড়ছে

আকরাম উদ্দিন
তাহিরপুর উপজেলার শিমুলবাগে দর্শনার্থীদের আগমন বাড়ছে। সব শিমুলের গাছে ফুল ফোটেনি এখনও। সব ফুল ফোটবে আরও সপ্তাহ ১০ দিন পর। এমন কথা জানিয়েছেন স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি।
প্রতিদিন বাদাঘাট ইউনিয়নের মানিগাঁও এলাকায় এই শিমুল বাগানে জেলার বাইরের দর্শনার্থীরা দামী দামী গাড়ি নিয়ে আসছেন। আবার কেউ আসছেন লাইটেস নিয়ে, কেউ বাস নিয়ে। সিএনজি ও মোটর বাইক নিয়ে আসছেন স্থানীয় দর্শনার্থীরা। প্রতিদিন শত শত গাড়ি নিয়ে হাজারো দর্শনার্থীর সমাগমে সরগরম হয়ে উঠছে আশপাশ এলাকা।
মঙ্গলবার দুপুরে কথা হয় দর্শনার্থী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার লালারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল দেব ও জয় চন্দ্র দাসের সাথে। তাঁরা জানান, শিমুলের ফুল এখনও ফোটেনি, তবুও এসেছি দেখে যেতে। ফুল না ফোটলেও ভাল লাগে এই জায়গা।
সুনামগঞ্জ শহরের বাসিন্দা প্রবীণ রহিমা বেগম। তিনিও এসেছেন নাতি নাতনিকে নিয়ে। তিনি জানান, মানুষ পাগল শিমুলবাগে আসতে। তাই পরিবারের লোকজনকে নিয়ে এসেছি। এখন দেখি কিছু সারি সারি শিমুলের গাছ। কোনো গাছে ফোটেছে কিছু ফুল। বড় জায়গা, আছে মানুষ। হাঁটছি সবার সাথে।
সিলেট থেকে এসেছেন চামেলী রহমান ও সেলিম আহমদ। তারা নবদম্পতি। দু’জনেই জানান, জায়গাটি খুব ভাল লেগেছে। কারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ও নিরিবিলি পরিবেশে কিছু সময় কাটিয়েছেন তাঁরা। ফুল ফোটলে আবারও আসবেন বলে জানান এই দম্পতি।
সিলেট থেকে এসেছেন তোফায়েল, রাত্রি ও ইমপ্রিয়া। তারাও খুব আনন্দে দিনটি কাটিয়েছেন শিমুলবাগে। ভালই লেগেছে বলে জানান।
আতাউর রহমান শরীফ এসেছেন হবিগঞ্জ থেকে। এসে দেখেন এখনও ফুল ফোটেনি বাগানের সকল গাছে। তবুও ভাল লাগছে তাঁর। তিনি জানান, আসলে এখানে একই সাথে যাদুকাটা নদী, নির্মাণাধীন সেতু, শাহ আরেফিন রহ. আস্তানা, বারেকের টিলা ঘুরে দেখার জন্য এসেছি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই এলাকা। ঘুরতে ভালই লাগে।
দর্শনার্থী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বালিজুরী গ্রামের সাদিয়া জাহান মিশু ও আতিফা আক্তার হাসু বলেন, আমাদের পার্শ্ববতী উপজেলা তাহিরপুর। তবুও যেন ঘুরতে নতুন লাগে সব। খুবই সুন্দর শিমুলবাগ এলাকা ও যাদুকাটা নদীর ধুঁধুঁ বালুচর। বাগ সুন্দর করেছে দুই পাশে বয়ে যাওয়া যাদুকাটা নদী।
একই এলাকা থেকে এসেছেন দর্শনার্থী সুরমা আক্তার ও তানজিনা আক্তার। তাঁরা বলেন, শিমুলবাগের সাথে সুবিশাল যাদুকাটা নদীর সৌন্দর্যও অবলোকন করা যায়। বাগের স্পট খুবই ভাল জায়গায়। মনপ্রাণ উড়ার করে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা যায়। বসে থাকতে ইচ্ছে করে সারাক্ষণ। যে কেউ আসলে অবশ্যই ভাল লাগবে তাঁর।