শীতের তীব্রতা বাড়ছে

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। পৌষের আগমনে চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রা কমেছে। কনকনে ঠান্ডা বাতাস ও হাড় কাঁপানো শীতে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের দৈনন্দিন কাজ কর্মে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে শীতের সময় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধদের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
গত বৃহস্পতিবার থেকে সুনামগঞ্জে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত তিনদিন ধরে ঘন কুয়াশা নেই কিন্তু বেড়েছে শীতের প্রচন্ড তীব্রতা। এখন দিনের বেলায় সূর্য্যরে আলোয় শীতের তীব্রতা কম হলেও সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত কনকনে ঠান্ডা বাতাসে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। শীতে দিনমজুর শ্রেণী পেশার মানুষ, কৃষকসমাজ, মৎস্যজীবী সম্প্রদায়সহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গোধারগাঁও গ্রামের ৭৫ বছর বয়সী হানিফ মিয়া বলেন, এবারের ঠান্ডা শীতে ছেলেরা ব্যবসায় যেতে নিষেধ করেছে। এই কয়েকদিন ধরে অস্বাভাবিক ঠান্ডা পড়েছে।
বেরীগাঁও গ্রামের ৭৮ বছর বয়সী চাঁন মিয়া বলেন, আমাদের পরিবারের লোকজন কৃষি কাজে যেতে না করেছে। এখন কোনো সর্দি, জ্বর হলে বলা হয় করোনা।
ইব্রাহীমপুর গ্রামের ৭৫ বছর বয়সী সাজাউর রহমান বলেন, বৈশ্বিক করোনা থেকে রক্ষা পেতে এখন থেকে বেশি বেশি সাবধান থাকতে হবে। অবশ্যই নিজেকে ঠান্ডা থেকে বাঁচাতে হবে।
শহরের চাউলের ব্যবসায়ী সোহেল আহমদ বলেন, শীতের দিনে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যায়। অনেক বেলা হলে ঠান্ডা কমে তখন দোকানপাট খুলি। কাস্টমারগণও আসেন অনেক বেলা করে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আর.এম.ও) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সতর্ক না থাকলে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হতে পারে যে কেউ। এই ঠান্ডায় সর্দি, জ্বর, কাশি হতে পারে। এটা থেকে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এই জন্য সকলে ঠান্ডা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।