শীতে বাড়ছে নিউমোনিয়াসহ শিশু রোগ

স্টাফ রিপোর্টার
হাওর-বাওর ও মেঘালয়ের পাদদেশের সীমান্ত জেলা সুনামগঞ্জ। গত কয়েকদিন হয় এই জেলায় শীতের কনকনে হাওয়া শুরু হয়েছে। হাওর ও পাহাড়ের পাদদেশের গ্রামগুলোয় নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগ-বালাই বেড়েছে। বিশেষ করে শিশুরা ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে দুই শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে স্থান সংকুলান না হওয়ায় অসুস্থ শিশুদের বারান্দার মেঝেতে রেখেও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। গত দেড় মাসে (১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত) মৃত্যু হয়েছে ৮ জন শিশুর।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সুনামগঞ্জে ঠান্ডাজনিত রোগবালাই বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে দুই শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। ভর্তি আছে শতাধিক শিশু। এদের
সিংহভাগই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত। এরমধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগে আট জনের মৃত্যু ঘটেছে। সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের ২৯ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে রোগী রয়েছে শতাধিক। প্রতিদিন গড়ে ২০ জন শিশু ঠান্ডার কারণে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এই শিশুদের বয়স বেশির ভাগেরই এক মাস থেকে এক বছরের মধ্যে। শয্যা সংকটের কারণে শিশু ওয়ার্ডের বারান্দায় স্থান দেওয়া হয়েছে অসুস্থ শিশুদের। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও নার্সদের।
সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে মন্তব্য করে জানালেন, হাসপাতালগুলোয় ওষুধপত্রের কোন সংকট নেই।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ জানান, সুনামগঞ্জে শৈত্য প্রবাহ বা প্রচুর ঠান্ডা পড়েছে বলা যাবে না। তবে শীত অনুভূত হচ্ছে। গত ২-৩ দিন তাপমাত্র ছিল ১৩-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো।