পি সি দাশ শাল্লা
শাল্লা উপজেলার শাল্লা ইউনিয়নের পাড়াখালী গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল লতিফ মিয়া (৬৯) আর নেই। গত রবিবার রাত সাড়ে ১১ টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত আব্দুল লতিফ মিয়ার ভাই শাল্লা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আরজ আলী জানান, রবিবার সকালে নিজ বাড়িতে হঠাৎ তার বড় ভাইয়ের বুকে ব্যথা শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে নৌকা যোগে তাকে শাল্লা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হবিগঞ্জের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। বিকালে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে পাশের শিবপাশা গ্রামে মেয়ের বাড়িতে যান তিনি। রাতে খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১১ টায় দিকে তার ছেলে গিয়ে দেখেন তার পিতা লতিফ মিয়ার কোন নড়াচড়া নেই। ডাকতে গিয়ে দেখেন তিনি আর জীবিত নেই।
সোমবার সকালে মেয়ের বাড়ি থেকে লাশ তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে স্বজনরা। বেলা ১১ টায় শহদেবপাশা মসজিদ প্রাঙ্গণে তার দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
একজন একনিষ্ঠ আওয়ামী লীগ কর্মীর মৃত্যুতে কান্দিগাও গ্রামের আওয়ামী লীগ কর্মী ইকরামুল ইসলাম বলেন, দল আজ একজন সত্যিকারের আওয়ামী লীগ কর্মী হারালাম। আব্দুল লতিফ ছিলেন আওয়ামীলীগের ত্যাগী কর্মী। যতবার নির্বাচন হতো তখনি সবার সামনে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করতেন। তিনি তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
আওয়ামী লীগ সহ সম্পাদক হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল বলেন, আব্দুল লতিফ মিয়ার মৃত্যুর খবর পেয়ে খুবই ব্যতিত হয়েছি। হাস্যউজ্জল একজন বড় মনের মানুষ ছিলেন লতিফ মিয়া । নিঃসন্দেহে সত্যিকারের ত্যগী একজন আওয়ামী লীগ কর্মী ছিলেন। প্রয়াত জাতীয় নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের খুবই আস্তাভাজন একজন ছিলেন আব্দুল লতিফ। তিনি মৃত লতিফ মিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৭ ছেলে ২ মেয়ে ও ২ জন স্ত্রী সহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান।


