স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ জেলায় নতুন করে আরোগ্য লাভ করেছেন জেলার ২ উপজেলার আরও ১৯ জন। সুস্থ হওয়াদের মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ১৬ জন এবং বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ৩ জন। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে জেলায় সুস্থ হয়েছেন মোট ১৮৬৪ জন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭৪১ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ১১২ জন, বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় ৮৮ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ৪৬ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ৭৭ জন, দিরাই উপজেলায় ৯২ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ৩০ জন, ছাতক উপজেলায় ৩৯০ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ১৩৮ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ১১০ জন এবং শাল্লা উপজেলায় ৪০ জন সুস্থ হয়েছেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৩০ শতাংশ।
এদিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৪ জনে। ৪ হাজার ৪৯৬ জনের টেস্টকৃত নমুনার মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া গেছে ৪, হাজার ৩২৯ জনের। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ১১ শতাংশ। আরোগ্য লাভ করেছেন ৭৪১ জন। আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৮০ দশমিক ০৭ শতাংশ। আইসোলেসনে আছেন ১৬৭ জন। করোনায় মারা গেছেন ৬ জন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নতুন করে বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ১২ জন, আইসোলেসনে গেছেন ২০ জন, কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেসন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৭ জন।
এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলায় ৬ হাজার ৭৩২ জনকে হোম কেয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়। কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেসন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয় ৮ হাজার ৫৫৬ জনকে। এ ছাড়া করোনা সন্দেহে এ পর্যন্ত ২১৮৫ জনকে আইসোলেশনে আনা হয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেলায় মৃত্যুবরণ করেছেন ২৩ জন। বর্তমানে আইসোলেসনে আছেন ২৯৯ জন।
এদিকে গত বুধবার ৯৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় জেলার ৫ উপজেলায় নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ২০ জনের শরীরে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় আক্রান্তের হার ২০ দশমিক ৪০ শতাংশ।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৩ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ জন, ছাতক উপজেলায় ১০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২ জন এবং জগন্নাথপুর উপজেলায় ১০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এছাড়াও বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় ৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় কেউ করোনা পজিটিভ শনাক্ত হননি।
১৩ হাজার ৭০৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় সুনামগঞ্জ জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ২১৮৫ জন। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় আক্রান্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ।


