সদর ও দ.সুনামগঞ্জ বিএনপি’র মনোনয়ন পেলেন যারা দোয়ারায় মিলন, মিজান, মুনসেফের লড়াই

বিশেষ প্রতিনিধি
তৃতীয় দফার ২৬ ইউনিয়নের ১৭ ইউনিয়নেই বিএনপির মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে। দুই উপজেলায়ই বিএনপির বিবদমান দুই গ্রুপের নেতাদের ঐক্যমতেই প্রার্থীতা চূড়ান্ত হয়েছে বলে দলীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সদর উপজেলার কোরবান নগর ইউনিয়নে মনফর আলী, মোল্লাপাড়া ইউনিয়নে আজমল হোসেন, রঙ্গারচর ইউনিয়নে আব্দুল হাই, গৌরারং ইউনিয়নে ফুল মিয়া, মোহনপুর ইউনিয়নে মো. তাজুল ইসলাম, কাঠইর ইউনিয়নে কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নে ওসমানগণী, সুরমা ইউনিয়নে সাইফুল ইসলাম ও লক্ষণশ্রী ইউনিয়নে আব্দুল ওদুদ’র দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে।
সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন রাত সাড়ে নয়টায় মনোনয়নের এই বিষয়টি চূড়ান্ত হবার কথা নিশ্চিত করেন। সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর আলী ও সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন আহমদও এই ৯ প্রার্থীর দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত হবার তথ্য জানান। অবশ্য. সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সদস্য আসম খালেদ বলেছেন সদরের ৯ ইউনিয়নে প্রার্থীতা চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা নেই আমার।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জের ৮ ইউনিয়নেও দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। পাথারিয়া ইউনিয়নে আমিনুর রশিদ আমিন, জয়কলস ইউনিয়নে শামসুন নূর মিয়া, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নে আজিজুর রহমান, পূর্ববীরগাঁও ইউনিয়নে তোফায়েল আহমদ, পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে আবু তাহের, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নে লুৎফুর রহমান খোকন ও শিমুলবাক ইউনিয়নে সৈয়দুর রহমানের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমদ।
তৃতীয় দফার ২৬ ইউনিয়নের মধ্যে অন্য ৯ ইউনিয়ন দোয়ারাবাজার উপজেলায়। এই উপজেলার ৯ ইউনিয়নে বিএনপির দুই কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও মিজানুর রহমান চৌধুরী বেশিরভাগ ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীতার বিষয়ে একমত হলেও দলের  জেলা কমিটির সাবেক সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মুনসিফ আলী আলাদা তালিকা জমা দেওয়ায় রাত ১০ টা পর্যন্ত এই উপজেলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন, ‘সদর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রার্থীতা চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানি আমি। দোয়রাবাজার উপজেলার ৯ ইউনিয়নে আমরা তালিকা দিয়েছি, কেন্দ্রীয় নেতারা আমাদের বক্তব্য শুনেছেন, আমরা অপক্ষো করছি রাতেই (বুধবার রাতেই) হয়তোবা সিদ্ধান্ত হতে পারে’।