স্টাফ রিপোর্টার
আগামী ১৬ জানুয়ারি সুনামগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনে ৯ টি সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন ৪৮ জন প্রার্থী। হলফনামা অনুযায়ী সম্পদে এগিয়ে আছেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী মো. সফিক মিয়া। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আহমদ নূর বাৎসরিক আয় উল্লেখ করেছেন কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা বাবদ প্রাপ্ত টাকা। হলফনামায় বাৎসরিক আয় উল্লেখ করেননি ২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী মঈন উদ্দিন আহমদ রিপন ও মোঃ আব্দুস সাত্তার এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোঃ মোতাহের আলী।
হলফনামায় উল্লেখিত তথ্যে অনুযায়ী ১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ হোসেন আহমদ রাসেল’র ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। এছাড়াও কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা বাবদ বাৎসরিক আয় করেন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।
অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫০ হাজার টাকা, বৈবাহিক সূত্রে প্রাপ্ত অলংকারাদি ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা ও ব্যবসায়ীক পুঁজি ২ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ১টি বাড়ী।
কৃষি খাত থেকে আবুল হাসনাত মোঃ কাওছার’র বাৎসরিক আয় করেন ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ২ লক্ষ টাকা,ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ৩.৬০ একর কৃষি জমি।
আব্দুস সাত্তার মোঃ মামুন বাৎসরিক আয় করেন ৯০ হাজার টাকা। হলফনামায় উল্লেখ করা তার কোন অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদ নেই।
২ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর সৈয়দ ইয়াছিনুর রশিদ কৃষি খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৫০ হাজার টাকা, এছাড়াও কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা বাবদ বাৎসরিক আয় করেন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২৫ হাজার টাকা, ব্যবসায়ীক পুঁজি ৮ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৭ শতক বাড়ী/এপার্টমেন্ট।
রাজ কুমার বর্মন ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১ লক্ষ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৩০ হাজার টাকা, অলংকারাদি ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
মঈন উদ্দিন আহমদ রিপন আয়ের উৎস হলফনামায় উল্লেখ করেননি। তবে নিজ নামে রয়েছে নগদ ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা।
মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম ব্যবসা খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা, নিজ ও স্ত্রীর নামে ৫ ভরি স্বর্ণ ২ লক্ষ টাকা ও ব্যবসায়ীক পুঁজি ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা।
শাহরিয়ার আহমদ রিগ্যান কৃষি খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা ও নিজ ও স্ত্রীর নামে অলংকারাদি ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছৈ বাড়ী/এপার্টমেন্ট ১ শতক।
মোঃ আব্দুস সাত্তার পেশা ঠিকাদারী ব্যবসা উল্লেখ করলেও বাৎসরিক আয় হলফনামায় উল্লেখ করেননি। তার অস্থাবর সম্পদের মেেধ্য রয়েছে নিজ নামে নগদ ১০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৮০ হাজার টাকা। এছাড়াও ১টি মটর সাইকেল, ৫ ভরি স্বর্ণ, আসবাবপত্র রয়েছে। তবে তিনি এসবের মূল্য উল্লেখ করেননি।
৩ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর ফজর নুর ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৮০ হাজার টাকা এবং কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা বাবদ আয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ২০ হাজার টাকা, নিজ ও স্ত্রীর নামে ২ ভরি স্বর্ণ ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা, ব্যবসায়ীক পুঁজি ৪ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ১ টি দালান ও ১ টি বাড়ী।
মোঃ জাহিদুল ইসলাম তহুর কৃষি খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। এছাড়াও নিজ ও স্ত্রীর নামে ১০ ভরি অলংকার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে। তবে তিনি তার মূল্য উল্লেখ করেননি। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে ব্যবসায় বিনিয়োগ ২ লক্ষ টাকা। ১৪ শতক কৃষি জমি ও ২ শকত বাড়ী/এপার্টমেন্ট।
মোঃ মোশাররফ হোসেন কৃষি খাত থেকে ২০ হাজার এবং ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ১ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১০ হাজার টাকা, ১টি পালসার মোটর সাইকেল মূল্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। এছাড়াও ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং নিজ ও স্ত্রীর নামে ৫ ভরি স্বর্ণ ও আসবাবপত্র রয়েছে। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে ৪ একর কৃষি জমি ও ব্যবসায় বিনিয়োগ ২ লক্ষ টাকা। যৌথ মালিকানায় ১০ শতক বাড়ী।
মোঃ মোতাহের আলী পেশা সাব ঠিকাদার উল্লেখ করলেও বাৎসরিক আয় হলফনামায় নামায় উল্লেখ করেননি। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা এবং নিজ ও স্ত্রীর নামে অলংকারাদি ৫০ হাজার টাকা।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর চঞ্চল কুমার ব্যবসা থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা এবং কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা বাবদ আয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ২০ হাজার টাকা, ১ ভরি স্বর্ণ ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা, ব্যবসার পুঁজি ২ লক্ষ টাকা।
বোরহান উদ্দিন ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে অলংকারাদি ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা, ব্যবসার পুঁজি ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা।
সাদিকুর রহমান খান ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৩০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২০ হাজার টাকা, বাস/ট্রাক/মটরগাড়ী/মটরসাইকেল/লঞ্চ/স্টিমার বাবদ ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা ও ব্যবসার পুঁজি ৪ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।
মিন্টু চৌধুরী কৃষি খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৬৬ হাজার ১৪৯ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৮শত’ ৫১ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ৪০ কেদার কৃষি জমি, ২ কেদার অকৃষি জমি, ১টি টিস সেড দালান ও ১ টি ৩ কক্ষ বিশিষ্ট দোকান ঘর।
৫ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম সাবেরীন ব্যবসা থেকে ২ লক্ষ টাকা এবং কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা বাবদ আয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা, নিজ ও স্ত্রীর নামে অলংকারাদি ১ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ১টি টিস সেড ঘর (২৪ শতক)।
নীহার রঞ্জন দাস বাৎসরিক আয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রবাসে থাকা ছোট বোনের অনুদান ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নাে নগদ ৩ লক্ষ টাকা। এছাড়াও স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে, যার মূল্য তিনি উল্লেখ করেননি। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৩০ কেদার কৃষি জমি।
মোঃ সাহিন মিয়া কৃষি খাত থেকে ৮০ হাজার, বাড়ী/এপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া বাবদ ১ লক্ষ টাকা, ব্যবসায় ৮০ হাজার টাকা বাৎসরিক আয় উল্লেখ করেছেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ২ লক্ষ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২ লক্ষ টাকা, অলংকারাদি ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা, ব্যবসায় পুঁিজ ২ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে ২.৫০ শতক কৃষি জমি, নিজ ও স্ত্রীর নামে ২.৫০ শতক কৃষি জমি, যৌথ মালিকানায় একটি বাড়ী।
গনেশ রায় ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা, ব্যবসার পুঁজি ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
আবু বক্কর সিদ্দিক ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৫০ হাজার টাকা, অলংকারাদি ৬০ হাজার টাকা, ব্যবসায় পুঁজি ১৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা।
এমদাদুল হক ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ ও অলংকার রয়েছে।
আলী আছহাব আহমদ ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় সাড়ে ১৪ শতক বাড়ী/এপার্টমেন্ট।
বিমান কান্তি রায় আইন পেশা থেকে বাৎরিক আয় করেন ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৯৭২ টাকা, বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জ ও কোম্পানীর শেয়ার প্রভৃতি ১,৫৬,৯২২ টাকা ও ৯৩,৫৭০ টাকা, মোটর সাইকেল ১ লক্ষ ৮০ হাজার ১৫০ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৬৫ হাজার, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা, নিজ ও স্ত্রীর নামে স্বর্ণ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। স্থাবন সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় একটি দালান কোঠা ও ১ টি টিন সেড ঘর ৪ লক্ষ টাকা ও ০.১০ একর বাড়ী ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৫শত টাকা।
মোঃ সামছুল ইসলাম পারভেজ ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১ লক্ষ টাকা, মোটরসাইকেল ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও ৮ ভীর স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ২৪ কেদার কৃষি জমি, ৩০ শতকের মধ্যে একটি টিনসেড ঘর।
৬ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আবাবিল নূর ব্যবসা থেকে বাৎসরিক ৫০ হাজার এবং কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা বাবদ আয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৩০ হাজার টাকা, অলংকার ৭৫ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে ১১২২ বর্গফুট ১ টি দালান, যৌথ মালিকানায় ১২ শতাংশ বাড়ী/এপার্টমেন্ট।
মোঃ মনির উদ্দিন ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৩ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা, নিজ ও স্ত্রীর নামে স্বর্ণালংকার ২ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে কৃষি জমি ২ একর, যৌথ মালিকানায় কৃষি জমি ৫ একর ও ১ টি দালান।
রিগান আহমদ ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫০ হাজার টাকা।
৭ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ সামসুজ্জামান স্বপন ব্যবসা থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা এবং কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা বাবদ আয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা, ব্যবসার পুঁজি ২ লক্ষ ৪০ হাজার। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ১ টি দালান।
মোঃ এনামুল হক ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ২ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা, ব্যবসার পুঁজি ৩ লক্ষ টাকা।
আহসান জামিল আনাস ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২১ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা, ব্যবসার পুঁজি ১৩ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা এবং ২০ ভরি স্বর্ণ।
জুয়েল আহমদ ব্যবসা থেকে ১ লক্ষ টাকা এবং ঠিকাদারী থেকে বাৎসরিক ১ লক্ষ টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা, অলংকারদি ১লক্ষ টাকা, ব্যবসার পুঁজি ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় কৃষি জমি ২ কেদার, ১টি দালান ও ১ টি বাড়ী।
মোছাদ্দেক হুসেন বাচ্চু ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, অলংকারাদি ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১ টি দালান।
৮ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আহমদ নূর বাৎসরিক আয় হিসেবে কাউন্সিলরের সম্মানী ভাতা বাবদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা উল্লেখ করেছেন হলফনামায়। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৩০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৩০ হাজার টাকা, মোটর সাইকেল ১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা, অলংকারাদি ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা, ব্যবসার পুঁজি ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ৪৮০ শতক কৃষি জমি, ২৭.৫০ শত বাড়ী/এপার্টমেন্ট।
মোঃ সফিক মিয়া ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬০০ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৪৮ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৫২ হাজার টাকা, ১ কোটি ২৬ লক্ষ ২৯ হাজার ২৮১ টাকা।
ব্যবসা থেকে নবী হোসেন পীর’র বাৎসরিক আয় ৩৩ লক্ষ ৭২ হাজার ৪৯৩ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৪০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৫০ হাজার টাকা। ইলেকট্রনিক সামগ্রী, আসবাবপত্র ও অলংকারাদির মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। ব্যবসার পুঁজি ৫১ লক্ষ ৭১ হাজার ৯শত ২৮ টাকা।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোঃ এনামুল হক ব্যবসা খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা এবং শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেমে আয় ১ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১ লক্ষ টাকা।
মোঃ রফিকুল ইসলাম রবিন কৃষি খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ টাকা, অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৭ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা ও নির্ভরশীলদের নামে ৫ ভরি স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে ১০ কেদার কৃষি জমি।
মোঃ গোলাম আহমদ ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় আয় করেন ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা। অস্থারবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, স্থায়ী আমানতে নিয়োগ ১০ লক্ষ টাকা, স্বর্ণালংকার ৫০ হাজার টাকার। এছাড়াও ইলেকট্রনিক সামগ্রী, আসবাবপত্র, ১টি মোটর সাইকেল ও ১টি অটো মিল রয়েছে। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে ১৭৫ শতক অকৃষি জমি, ১টি টিন সেড ঘর।
মোঃ মহিন উদ্দিন চাকুরী থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ টাকা ২৫ হাজার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা এবং নিজ ও স্ত্রীর নামে ১০ ভরি স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদেও মধ্যে রয়েছে নিজ নামে কৃষি জমি ৩৪.৫০ শতক, অকৃষি জমি ২.৬১ শতক।
মোঃ মনফর আলী কৃষি খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৫০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য আয় হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৩০ হাজার টাকা। এছাড়াও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে যার মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। স্থাবর সম্পদের রয়েছে যৌথ মালিকানায় ০.১৫ একর বাড়ী।
মোঃ খেলু মিয়া ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১ হাজার ৫শত টাকা, অলংকারাদি ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী১০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ৩০ শতক কৃষি জমি ও ৪ শতক অকৃষি জমি।
মোঃ রুকন উদ্দিন ব্যবসা খাত থেকে বাৎসরিক আয় ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ ও স্ত্রীর নামে ২ ভরি স্বর্ণ।
নজরুল ইসলাম প্রাইভেট কার ড্রাইভিং থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৭০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা এবং ৩ ভরি স্বর্ণ।
সাইফুর রহমান ব্যবসা খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৩০ হাজার টাকা এবং নিজ ও স্ত্রীর নামে ১ ভরি স্বর্ণ।
এম তাজুল ইসলাম তারেক ব্যবসা খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১০ হাজার টাকা, অলংকারাদি ২৫ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা, ব্যবসার পুঁজি ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার ৭৯০ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১টি টিন সেড ঘর ও ১টি বাড়ি।
মোঃ কদর আলী ব্যবসা খাত থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৭০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৪০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, নিজ ও স্ত্রীর নামে ৪৫ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় ৬.৫০ একর বাড়ি।


