সরব আওয়ামীলীগ নিবর বিএনপি

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র পদে ক্ষমতাশীন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশিদের হাফ ডজন হলেও বিএনপিতে রয়েছে প্রার্থী সংকট।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর জগন্নাথপুর পৌরসভার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ২০ ডিসেম্বর মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন। সে লক্ষে মেয়র পদ দলীয় মনোনীত নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এই দুই দলের চলতে তদবির লবিং।
গত ৫ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চূড়ান্তে তৃণমূল বৈঠক ডাকা হয়। এতে ছয়জন সম্ভাব্য নৌকাপ্রত্যাশিদের নাম প্রস্তাব করা হয়। তাঁরা হলেন বর্তমান পৌর মেয়র মিজানুর রশিদ ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলর লুৎফুর রহমান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আকমল খান, জেলা পরিষদের সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহতাবুল হাসান সমুজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ সুত্রধর বীরেন্দ্র ও প্রচার সম্পাদক আব্দুল জব্বার। এরমধ্যে জেলা কমিটির নিকট তিনজনের নাম হস্তান্তর করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছে জেলা কমিটি মনোনয়ন প্রত্যাশিতে নাম হস্তান্তর করবেন। এরপর বোর্ড চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন। দলের প্রার্থী হতে কেন্দ্রে চলছে জোর লবিং।
অন্যদিকে বিএনপির মনোনয়ন আগ্রহী কয়েকজন প্রার্থীর নাম মাঠে শোনা যাচ্ছে। তাঁরা হলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা আব্দুল কাদির, গত নির্বাচনে মনোনয়ন প্রাপ্ত রাজু আহমদ, গত নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবিবুল বারী রায়হান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল মতিন লাকি ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলিফ মিয়া। একাধিক প্রার্থীর নাম উঠে আসলে নির্বাচনী মাঠে নিরবতা বিরাজ করছে। আব্দুল কাদির, রাজু আহমদ ও আলিফ মিয়া বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। তবে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি জগন্নাথপুরের সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল মতিন মতিন লাকি নিজ এলাকায় এসে পৌঁছেছেন।
এদিকে বিএনপির একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে দলে প্রার্থী সংকট থাকায় উপজেলা বিএনপি এ পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আবু হোরায়রা ছাদ মাস্টার দলের প্রার্থী হতে পারেন।
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু হোরায়রা ছাদ মাস্টার বলেন, বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশি কয়েকজন রয়েছেন। কেউ কেউ মাঠে কাজও করছেন। তিনি জানান, দলের প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রচন্ড চাপ আছে নেতাকর্মীদের। দলের সিদ্ধান্তকে আমি সম্মান করি। দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচন করব।
জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন জানান, আওয়ামী লীগের নির্বাচন বোর্ড যাকে নৌকা দেবেন আমরা তাকে নিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করবো।