সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ ৬ মাসের জন্য স্থগিতের আদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি
জেলা জজশীপে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপরাটের পদে নিয়োগের ফলাফল ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও মাননীয় বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ্’র ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার এই নিয়োগ পরীক্ষার প্রার্থী জহিরুল ইসলাম (রোল নম্বর ৪৮৬) রিট পিটিশন (নম্বর ১৫০৭০/ ২০১৬) দায়ের করলে আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এসএম আরেফিন জুন্নন বলেন, ‘আদালতকে আমরা বলেছি এই নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা মানা হয়নি। ১০ জনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা তার সন্তানকে নিয়োগ দেয়ার কথা। প্রার্থী না থাকলে পদ ফাঁকা থাকার কথা। কিন্তু এই নিয়োগে সেটি প্রতিপালন করা হয়নি। এই প্রসঙ্গে আমরা সুনামগঞ্জের একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা- আইনজীবী পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার বিষয়টিও আদালতকে অবহিত করেছি। আমরা আদালতকে বলেছি,  ‘এই নিয়োগের ফলাফল যিনি প্রকাশ করেছেন, তাঁর বাছাই কমিটির চেয়ারম্যান হবার বৈধতা নেই। জেলা জজ অধস্তন আদালত কিংবা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে কর্মচারী বিধিমালা ১৯৮৯’র ২ ঙ বিধি অনুযায়ী এই ধরনের নিয়োগে জেলা জজ কর্তৃক মনোনীত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার একজন বাছাই কমিটির চেয়ারম্যান হবেন এবং অন্য আরেকজন বিচারক সদস্য সচিব থাকবেন। কিন্তু এখানে যুগ্ম জেলা জজ বাছাই কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছেন।’
ব্যারিস্টার এস এম আরেফিন জুন্নন জানান, আদালত পরে এই বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে ৪ সপ্তাহের মধ্যে জবাব দেবার নির্দেশ প্রদান করেছেন এবং গত ২২ নভেম্বর তারিখে নিয়োগ কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে যে ফল প্রকাশ করা হয়েছে সেই ফলাফল আগামী ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।
ব্যারিস্টার এস এম আরেফিন জুন্নন বলেন, ‘আমরা এই রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশনার অ্যাডভোকেট সার্টিফিকেট সুনামগঞ্জের বিজ্ঞ বিচারকদের কাছে ফ্যাক্সে পাঠিয়েছি’।
সুনামগঞ্জের বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো. রহিবুল ইসলামকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি একটি অ্যাডভোকেট সার্টিফিকেট পেয়ে মাননীয় জেলা জজ মহোদয়ের দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছি’।