সিলেট অফিস
‘কলমযোদ্ধা সালেহ চৌধুরী দেশের প্রয়োজনে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা হয়ে উঠে বাংলা ও বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় সংযোজন করেছেন। রণাঙ্গন থেকে ফিরে এই বিজয়ী বীর আবার কলম হাতে আত্মনিয়োগ করেন দেশ ও জাতির কল্যাণে। কিন্তু কখনো নিজের স্বার্থের কথা ভাবেননি। এমন সুসন্তানের জন্যে ভাটিবাংলা সহ গোটা বাংলাদেশ অবশ্যই চিরদিন গর্ববোধ করবে।’
শনিবার রাতে সিলেট মহানগরীর জিন্দাবাজারে মুক্তিযোদ্ধা ভবনে দিরাই-শাল্লা সম্প্রীতি পরিষদ সিলেট এই স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, সালেহ চৌধুরী সুুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার গচিয়া গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত ও বিত্তশালী পরিবারে জন্ম নিলেও আজীবন সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন। জীবনযাপন করেছেন সাদামাটা। অথচ চাইলে অনেক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারতেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সালেহ চৌধুরী যে সম্মানি পাচ্ছিলেন তা নিজের সংসারে খরচ না করে রণাঙ্গনে শহীদ সহযোদ্ধাদের স্মৃতিরক্ষায় ব্যয় করে গেছেন। বক্তারা সালেহ চৌধুরীর জীবন থেকে পাঠ নিতে নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।
স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল। প্রধান আলোচক ছিলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অ্যাড. ইকবাল আহমদ চৌধুরী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা মকসুদ ইবনে আজিজ লামা, সুধীর দাস ও মহিউদ্দিন আহমদ এবং মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগারের সভাপতি আল আজাদ। স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন, আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাস রায়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, রাজনৈতিক সংগঠক গুলজার আহমদ।
সুভাষ কান্তি দাসের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সালেহ চৌধুরীর ছেলে ইয়ামিন আজমান, শিক্ষাবিদ অঞ্জলি প্রভা চৌধুরী, ভূপেন্দ্র কুমার তালুকদার ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুব কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক বদরুল আহমদ বুলবুল।
- জগন্নাথপুরে বিজয় দিবস উপলক্ষে আ.লীগের একাংশের প্রস্তুতি সভা
- ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর বাজারে শুকনায় ময়লা, বর্ষায় কাদা


