কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরেফিন টিলার (শারফিন টিলা) অর্ন্তগত মতিয়া টিলা কেটে অবৈধ্যভাবে পাথর উত্তোলনকালে টিলা ধসে ছয় শ্রমিকের মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেট শাখা। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনার প্রতিবাদে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বাপা আয়োজিত নাগরিকবন্ধন কর্মসুচি থেকে এ দাবি জানানো হয়।
বাপা সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম সংগঠনের পক্ষ্য থেকে দেয়া মূল বক্তব্যে এ দাবি জানান। তিনি বলেন, সিলেটের পাহাড় নদী লূটে শেষ করছে পাথরখেকো চক্র। এদের এই লাগামহীন লুটপাটের পেছনে রয়েছে প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও এক শ্রেণির রাজনৈতিক নেতা। এই ঘটনার মূল কারণ বের করতে হলে প্রশাসনের গাঁ বাঁচানো তদন্ত কমিটি দিয়ে কিছু হবে না। উচ্চ পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির মাধ্যমে পাথর উত্তোলনের জড়িতদের খোঁজে বের করতে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সম্মুখে ‘নাগরিকবন্ধনে’ অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন বলেন, সিলেটের পাহাড় নদী ধ্বংস করে পাথর লূটপাটের বিরামহীন কর্মকান্ড এখনই বন্ধ করতে হবে। অন্যতায় সিলেটের সচেতন নাগরিকসহ স্থানীয়দের নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সিলেট জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিকবন্ধন কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ মানস চক্রবর্তী, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহম মিশু ও সাধারণ সম্পাদক রজত গুপ্ত, সবুজ সিলেটের বার্তা সম্পাদক এবং বাপার সংগঠক ছামির মাহমুদ, কুলাউড়া উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর আলম শাহান, ভূমিসন্তান বাংলাদেশের সমন্বয়ক আশরাফুল কবির, সাবেক যুবললীগ নেতা আজাদ হোসেন, সুরমা রিভার ওয়াটারকিপারের বদরুল ইসলাম চৌধুরী ও সুপ্রজিত তালুকদার, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেটের সংগঠক খালেদ মুর্শেদ মুন্না, এনায়েতুল বারী মুন, নাগরিক মৈত্রী সিলেটের আহবায়ক অ্যাডভোকেট সমর বিজয় সী শেখর, সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলন সিলেটের অ্যাডভোকেট সাব্বির আহমদ ও সালেহ নাহিদ, সারী বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক আব্দুল হাই আল হাদী, সিলেট কল্যাণ সংস্থার সভাপতি এহছানুল হক তাহের ও সাংবাদিক ইয়াহইয়া মারুফ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি


