সীমান্তের খ্রিস্টান পল্লীতে নেই উৎসবের আমেজ

তাহিরপুর প্রতিনিধি
করোনা পরিস্থিতিতে তাহিরপুর সীমান্তের খিস্টান পল্লীগুলোতে নেই উৎসবের আমেজ। ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায়ের লোকজন এ বছর ঘরোয়া প্রার্থনা ও কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করবেন বলে জানা গেছে। গীর্জাগুলোতে করোনা থেকে মুক্তি ও দেশের মঙ্গল ও উন্নতি কামনা বিশেষ প্রার্থনা করা হবে।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জের ৬ উপজেলায় বসবাস করে ক্ষুদ্র নৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭ হাজার মানুষ। এদের মধ্যে গারোদের সংখ্যাই বেশি। তাছাড়া কিছু খাসিয়াও রয়েছে। তারা খ্রিস্টান ধর্ম পালন করেন।
এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর রাতে ঘরোয়াভাবে কীর্তন পরিবেশন হবে এবং ২৫ ডিসেম্বর সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ঘরোয়া আয়োজনে খানাপিনা হবে। অন্যান্য বছর তাহিরপুর সীমান্তের কড়ইগড়া, চানপুর বড়দিন উপলক্ষে উৎসবের সাজে সজ্জিত হয়। কিন্তু এবার আলোক সজ্জার ব্যবস্থা নেই।
এদিকে খ্রিস্টান সম্প্রদায় যাতে নির্বিঘেœ বড়দিন পালন করতে পারেন সে জন্য গীর্জাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
সিলেট প্রেসবিটারিয়ান সিনট এর সাধারণ সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতা শঙ্কর মারাক বলেন, করোনা মহামারির কারণে সারা বিশ্বের জীবনধারা এখন থমকে আছে। তাই আমাদের উৎসবও এবার কমিয়ে আনা হয়েছে। আমরা ঘরোয়াভাবে উৎসব পালন করব। করোনা মহামারি থেকে মানবজাতির মুক্তি কামনা করব।
জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ বলেন, বড়দিন উপলক্ষে আমরা খিস্ট্রান সম্প্রদায়ের সকল নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানাই। তারা যাতে নির্বিঘেœ আচারাদি পালন করতে পারেন, সেজন্য আমরা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বলে দিয়েছি।