এআর জুয়েল
প্রায় ৬ মাস পর স্ত্রী জয়া সেন গুপ্ত, পুত্র সৌমেন, পুত্রবধু এবং নাতিসহ হেলিকপ্টারে দিরাইয়ে আসেন আইন-বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত এমপি। দিরাই-শাল্লার ৭ বারের সংসদ সদস্য তিনি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ৬ মাস দিরাইয়ে আসা হয়নি তার। এলাকার জনপ্রিয় এই রাজনীতিককে দেখতে এবং বক্তব্য শুনতে সকাল থেকেই প্রচন্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে দোওজ এলাকার সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত মহিলা কলেজ এবং সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউট মাঠে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়েছিলেন।
দুটি প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন শেষে মঞ্চের অনুষ্ঠান পর্বে কোরআন তেলওয়াত, গীতা পাঠ এবং মানপত্র
পাঠের পরই সঞ্চালক বক্তব্য রাখার জন্য অনুরোধ জানালেন সাংসদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে।
৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বক্তব্যে তথ্য, গল্প, হাস্যরস দিয়ে যিনি হাজারো জনতার মনজয় করে এসেছেন শনিবার তিনি খুব সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিলেন। তাও রাজনৈতিক কোন কথা বলেননি। বললেন, ‘এই দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাটিবাংলায় আলো ছড়াবে, আমার অবর্তমানে আমার পরিবারের সদস্যরা এর আর্থিক ব্যয়ভার বহন করবে। প্রতিষ্ঠানের নামে আমার পরিবারের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ করে ৫০ লাখ টাকা জমা রাখা হয়েছে, আমার জীবদ্দশায়ই এটি ৫০ লাখ করে এক কোটি টাকায় উন্নীত করা হবে, এছাড়া আমার বন্ধু, স্বজন অনেকেই এই প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন’।
তিনি এই প্রতিষ্ঠানের জন্য যারা জমি দিয়ে সহায়তা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পরে তিনিই শিক্ষামন্ত্রীকে বক্তব্য দেবার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশে সকল মতের মানুষের মতামত নিয়ে শিক্ষানীতি তৈরি করে যিনি প্রশংসিত হয়েছেন, বাঙালির শিক্ষা বিপ্লব যার মাধ্যমে হয়েছে, এখন তাঁর বক্তব্য শুনবেন’।


