স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নতুন করে আরোগ্য লাভ করেছেন জেলার ৪ উপজেলার আরও ২৭ জন। এদের মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ২১ জন, বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার ২ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৩ জন এবং দিরাই উপজেলার ১ জন। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে জেলায় সুস্থ হয়েছেন মোট ১৪২৫ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭৭ দশমিক ১৯ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ১০ জন, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ২ জন, আইসোলেসনে গেছেন ২৫ জন, কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেসন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৯ জন। এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলায় ৬ হাজার ৫৫৫ জনকে হোম কেয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়। কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেসন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয় ৭ হাজার ৯১০ জনকে। এ ছাড়া করোনা সন্দেহে এ পর্যন্ত ১৮৪৬ জনকে আইসোলেশনে আনা হয়েছে। বর্তমানে আইসোলেসনে আছেন ৪০২ জন। কভিডে আক্রান্তের মৃত্যু বরণ করেছেন ১৯ জন।
এদিকে গত বুধবার ৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় জেলার ৬ উপজেলায় নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ২৫ জনের শরীরে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় আক্রান্তের হার ২৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১০ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২ জন, বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় ৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ১২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫ জন, দিরাই উপজেলায় ৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২ জন, ছাতক উপজেলায় ১৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। জগন্নাথপুর উপজেলার ১ জনের নমুনা পরীক্ষায় কেউ শনাক্ত হননি।
১২ হাজার ১শত’ ৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় সুনামগঞ্জ জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৮৪৬ জন। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় আক্রান্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ২০ শতাংশ। ৩,৬০৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশী ৭৪৯ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায়। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আরোগ্য লাভ করেছেন ৪৭৫ জন। আইসোলেসনে আছেন ২৬৯ জন। দোয়ারাবাজার উপজেলায় আক্রান্ত ১১৫ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১০৭ জন। আইসোলেসনে আছেন ৭ জন। বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় ৮০ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৩ জন এবং আইসোলেসনে আছেন ৭ জন। তাহিরপুর উপজেলায় ৪৪ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩৮ জন। আইসোলেসনে আছেন ৫ জন। জামালগঞ্জ উপজেলায় ৮০ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬৮ জন। আইসোলেসনে আছেন ১১ জন। দিরাই উপজেলায় ৯৩ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮৩ জন। আইসোলেসনে আছেন ৮ জন। ধর্মপাশা উপজেলায় ৩১ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৪ জন। আইসোলেসনে আছেন ৬ জন। ছাতক উপজেলায় ৩৯০ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩২৬ জন। আইসোলেসনে আছেন ৫৭ জন। জগন্নাথপুর উপজেলায় ১৩১ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১১৬ জন। আইসোলেসনে আছেন ১৫ জন। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৯৩ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৫ জন। আইসোলেসনে আছেন ১৭ জন। শাল্লা উপজেলার আক্রান্ত সকলেই আরোগ্য লাভ করেছেন।


