পি সি দাশ, শাল্লা
শাল্লায় নওয়াগাঁও গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সুবিশাল রেন্টি গাছটি কোন অনুমতি বা অনুমোদন ছাড়াই বিক্রি করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ৩৭ হাজার ৫০০ শত টাকায় বিক্রি করা হয় গাছটি। এ নিয়ে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আলোচনার ঝড় উঠেছে। সম্পূর্ণ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যে গাছটির শীতল ছায়ায় ছিল সে বিশাল গাছটি কেন কাটা হল এ প্রশ্ন এখন সবার। সোমবার সকালে বহুদিনের পুরানো রেন্টি গাছটি কেটে ফেলা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেছেন, বিদ্যালয়ের টিনের ক্ষতি হওয়ার কারণে গাছ কাটা হয়েছে। তবে এই যুক্ত প্রত্যাখ্যান করে স্থানীয়রা বলছেন এখানে প্রধান শিক্সকের অসৎ উদ্দেশ্য কাজ করেছে । আনন্দপুর গ্রামের কৃষি বান্ধব সিআরসির পরিচালক বিকাশ চক্রবর্ত্তী বলেন, গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিশাল রেন্টি গাছটি কাটার কোন প্রয়োজন ছিল না। গাছটি কেটে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয় ঘটানো হয়েছে।
একেই গ্রামের কালাই মিয়া তালুকদার বলেন, গাছ কাটার দৃশ্য দেখে মনে হল ইচ্ছা করেই তারা বিদ্যালয়ের ক্ষতি করছেন ।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য হবিবপুর গ্রামের কবিন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, বিদ্যালয় ভবনের টিনের ক্ষতি করার কারণে গাছটি ৩৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
আনন্দপুর গ্রামের আরেক সদস্য শিক্ষক অখিল চন্দ্র দাস জানান, গাছ কাটার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কেন, কি কারণে, কত টাকায় গাছ বিক্রি করেছে সবই প্রধান শিক্ষক আনন্দ মোহন দাস জানেন।
প্রধান শিক্ষক আনন্দ মোহন দাস বলেন, ভবনের টিন নষ্ট হয় বলেন গাছটি বিক্রি
করেছি ।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মৃদুল চন্দ্র দাস বলেন, কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপ-কমিটির মাধ্যমে গাছটি বিক্রি হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন চক্রবর্ত্তী এবিষয়ে কোন কিছুই অবগত নন বলে জানিয়েছেন।


