স্বপ্নের সোনারবাংলা গড়তে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে -জেলা ও দায়রা জজ

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস এবং স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাৎ বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে ধনী, গরীব, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের ন্যায় বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।’ তিনি সেই দিনের নারকীয় হত্যাকান্ডকে ইতিহাসের জঘন্যতম নারকীয় ঘটনা আখ্যা দিয়ে খুনিদের প্রতি তীব্র ঘৃণা ব্যক্ত করেন এবং বঙ্গবন্ধুসহ সেই ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন কালে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।’ তিনি সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ার ক্ষেত্রে মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকলকে স্ব-স্ব দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালনের আহ্বান জানান।
সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মো. মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সহকারী জজ মো. আব্দুল কাদেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে আরও বক্তব্য রাখেন- চীফ জুডিসিয়াল   
ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রনয় কান্তি দাস, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুর রহমান, পিপি অ্যাড. খায়রুল কবির রুমেন, এপিপি অ্যাড. বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, এপিপি অ্যাড. মো. নজরুল ইসলাম, এপিপি অ্যাড.  শহীদুল হাসমত, এজিপি অ্যাড. আজিজুর রউফ বিপ্লব, অ্যাড. গোলাম মোস্তফা ও বারের সহ সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রওনক আহমদ।
শোক দিবসের অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. আমিরুল ইসলাম, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) মো. কুদরত-এ-ইলাহী, সিনিয়র সহকারী জজ বেগম ওবায়দা খানম, সিনিয়র সহকারী জজ ঝলক রায়, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহীদুল আমিন, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবু আমর, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুবায়েত ফেরদৌস, সহকারী জজ মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন, সহকারী জজ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, জিপি অ্যাড. মো. মর্ত্তুজা আলী, অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. নানু মিয়া, অ্যাড. মলয় কান্তি চক্রবর্তী, অ্যাড. সবিতা চক্রবর্তী, অ্যাড. জুলহাস মিয়া, অ্যাড. আমিরুল হক, অ্যাড. জুয়েল মিয়া, অ্যাড. অরুণাভ দাস ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম সহ জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর কর্মচারীবৃন্দ।