আইনুল ইসলাম বাবলু
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন সুনামগঞ্জের সন্তান অধ্যাপক ডা. ওবায়দুল কবীর চৌধুরী। চিকিৎসা বিদ্যায় জাতীয় পর্যায়ে গৌরব উজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে । আগামী ২৫ মার্চ সকাল ১০ টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনেতনে আনুষ্ঠানিকভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই পুরস্কার তুলে দেবেন। অধ্যাপক ডা. ওবায়দুল কবীর চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলা ভাটিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৫১ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক ও রাজধানীর জগন্নাথ কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন ১৯৭৬ সনে ঢাকা মেডিকেল কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন, পরে মধ্যপ্রাচ্যে কিছুদিন চিকিৎসাসেবায় নিযয়োজিত ছিলেন। পর উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনের জন্য ভিয়েনা ও লন্ডনে দীর্ঘদিন ছিলেন। ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চর্মরোগ’এর উপর বিশেষ ডিগ্রি নেন। তিনি লন্ডন সেন্ট থমাস হাসপাতালে চর্মরোগ এবং চর্ম পেথোলজি গ্লাসকো রয়েল কলেজের ফেলোশীপ লাভ করেন।
তিনি আমেরিকা হাভার্ড মেডিকেল কলেজ থেকে স্কিন লেজার এবং স্কিন প্যাথলজীর উপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। এছাড়া কানাডা অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে যোগ দিয়ে সুনামের সঙ্গে ওখানকার কর্মকাল অতিবাহিত করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার হলিফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিজিটিং অধ্যাপক এবং এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ন্যাশনাল স্কিন সেন্টার’এর চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে প্রথম চর্ম সার্জারীর উপর টেক্সট বই প্রকাশ করেন এই প্রখ্যাত চিকিৎসক। বর্তমানে তিনি কলকাতার রিতা স্কিন ইনস্টিটিউটের ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন।
- নাটক বর্ণচোরা মঞ্চস্থ
- শহিদ মিনার এলাকার গড়ে ওঠা স্থাপনা অপাসারণ না করায় শ্রদ্ধাঞ্জলি দেননি মুক্তিযোদ্ধা


