স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলাফেরা

পুলক রাজ
পৌর শহরে অনেকেই মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। করোনার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার প্রতি একধরনের অবহেলা চলে এসেছে মানুষের। অনেকেই করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার এ সময় বেপরোয়াভাবে চলাচল করছে। মাস্ক ব্যবহার ও শারীরিক দূরত্ব রাখছে না। শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়- পশ্চিম বাজার, মধ্যবাজার, পূর্ববাজার, জগন্নাথবাড়ী, জেল রোড, পৌরবিপনী, ষোলঘর, কাজির পয়েন্ট, উকিলপাড়া, আলফাত স্কোয়ার, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, নতুন বাসস্ট্যান্ড, খেয়া ঘাট, কিচেন মার্কেট, শপিংমলসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে মানুষ বেপরোয়াভাবে চলাফেরা করছে। স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। অনেকেই মাস্ক পড়ছে না।
কফিল উদ্দিন বলেন, বাসে করে সিলেট যাবো। সরকার থেকে নির্দেশ দেওয়া আছে বাসে উঠার আগে কর্তৃপক্ষ স্প্রে করে নিবে। কিন্তু এসব তো দূরের কথা, অনেকেই মুখে মাস্ক পড়ছে না। বাসে অতিরিক্ত মানুষ তোলা হচ্ছে। ভাড়াও নিচ্ছে বেশী। এরকম চলতে থাকলে তো করোনা ভাইরাস কমবে না বরং বাড়বে।
সিএনজি চালক সাইদুল ইসলাম বলেন, অনেকেই মাস্ক না পড়ে গাড়ীতে উঠছে। মাস্কের কথা বললে বিভিন্নজন বিভিন্ন রকম উত্তর দেন। মানুষ যদি মাস্ক না পড়ে বা সচেতন না হয়, আমরা কি করবো।
বিপ্লব মিয়া বলেন, সুরমা নদীর খেয়া পাড়াপাড়ের সব কয়টা ঘাটে কোন ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। আমি প্রতিদিন বাজারে আসি নদী পার হয়ে। নৌকায় উঠলেই দেখা যায় মানুষ কোন ধরনের স্বাস্থ্যবিধি তো মানছেই না। এমনকি মাস্কও পরছে না। আমি প্রথম প্রথম নৌকায় উঠার পর মানুষকে মাস্ক লাগানোর কথা বলতাম। এসব সচেতনমূলক কথা বললে মানুষ বিরক্ত হয়। এরপর থেকে আর বলি না।
মো. রুয়েল আকবর বলেন, ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে ভয় হয়। প্রায় মানুষের মুখে মাস্ক নেই, সামাজিক দূরত্বও বজায় রাখছে না। এরকম চলতে থাকলে তো করোনা ভাইরাসের আক্রান্তেরর সংখ্যা বাড়বে। আমাদের মতো সাধারণ মানুষ আগে সচেতন হতে হবে।
সংস্কৃতিকর্মী রিপন চন্দ বলেন, জীবন-জীবিকার দ্বিমুখী সংকটে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে ন্যূনতম মাস্ক ব্যবহার খুব জরুরী এবং এক্ষেত্রে প্রশাসনকেও কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।