জামালগঞ্জ প্রতিনিধি
সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি বলেছেন, হাওরে শ্রমিক সংকট নেই। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী উত্তরবঙ্গ সহ দেশের অন্যান্য জায়গা থেকে শ্রমিক আনা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও আনা হবে। এছাড়া সরকার দ্রুত ধানকাটার জন্য ৭০% ভর্তুকিতে হারভেস্টার মেশিন সরবরাহ করেছে। আশা করি কোন সংকট হবে না।
তিনি বলেন, ৮০ ভাগ ধান পেকে গেলে কেটে ফেলতে হবে। এই ধান শুধু কৃষকের নয়, পুরো দেশের খাদ্য নিরাপত্তা দেয়। তাই অবহেলা না করে যত দ্রুত সম্ভব ধান কাটা যাবে ততই মঙ্গল।
সোমবার দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওর তীরবর্তী রামপুর গ্রাম সংলগ্ন মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট অঞ্চল কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক দিলীপ কুমার অধিকারী, জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো সবিবুর রহমান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফরিদুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও প্রযুক্তি) মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্বা আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার, কৃষক ফজলুল হক।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেদোয়ানুল হালিম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বীণা রানী তালুকদার, ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম জিলানী আফিন্দি রাজু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাশরেফুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, ফেনারবাঁক ইউপি চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু তালুকদার, সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাজ্জাদ মাহমুদ তালুকদার।
এর পূর্বে ধান কাটায় কৃষকদের উৎসাহিত করতে ফেনারবাঁক ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের পাগনার হাওরের কৃষক ফজলুল হক ও ভীমখালী ইউনিয়নের ছোট ঘাগটিয়া গ্রামের কৃষক আবদুল মান্নান তালুকদারের জমিতে ধান কাটেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি।
- মহামারির মধ্যে তিনগুণ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকরা সব ধরনের সহায়তা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
- মরিতে চাহিনা আমি এ সুন্দর ভুবনে


