স্টাফ রিপোর্টার
মৃত্যু মানুষের অমোঘ নিয়তি। প্রিয়মানুষকে চিরতরে বিদায় জানানো সব সময়েই বেদনাদায়ক। ২০২১ সালে অনেকেই একে একে বিদায় নিয়েছেন, চলে গেছেন না ফেরার দেশে। করোনা আক্রান্ত হয়ে এবং অন্যান্য অসুস্থতায় বছরের বিভিন্ন ভাগে চলে গেছেন তাঁরা। বছরজুড়ে শোকের তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। হারানোর বেদনা নিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে বছরটি। চলে যাওয়া কীর্তিমানদের শূন্যতা কখনও পূরণ হবার নয়। চলতি বছরে চলে যাওয়া বরেণ্যদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। বছর শেষে তাঁদের আরও একবার স্মরণ।
বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু
২৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার বীর মুক্তিযোদ্ধা সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট আইনজীবী, কলামিষ্ট, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্র থাকা অবস্থায় তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ৫ নম্বর সেক্টরের তৎকালীন ক্যাপ্টেন হেলাল (পরবর্তীতে লে. কর্ণেল) এর অধীনে সেলা সাব সেক্টরে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ছাত্র জীবন থেকেই সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত ছিলেন। ‘দৈনিক পূর্ব দেশ’ ও ‘দৈনিক সংবাদ’ এর সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। সুনামগঞ্জ থেকে প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক সুনাম’ তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। এছাড়াও ‘রক্তাক্ত ৭১ সুনামগঞ্জ’, সহ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলার মুক্তিযুদ্ধের উপর তাঁর লেখা বিভিন্ন নিবন্ধ পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
সক্রিয়ভাবে অংশ নেন ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ১১ দফা আন্দোলন সহ সকল আন্দোলনে। পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে কলেজ সংসদের নির্বাচিত সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন তিনি। দীর্ঘ কয়েক বছর সুনামগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধের উপর গবেষণার ফসল তাঁল ‘রক্তাক্ত ৭১ সুনামগঞ্জ’ গ্রন্থ। পশ্চিম জার্মানিতে ৫ বছর অবস্থানকালের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন ‘পশ্চিম জার্মানির স্মৃতিকথা’ নামে সুখপাঠ্য একটি ভ্রমণ কাহিনী। তাঁর সম্পাদনায় ‘একাত্তরের সুনামগঞ্জ’, ‘বরুণ রায় স্মরক গ্রন্থ’, ‘আলফাত উদ্দিন আহমদ স্মারক গ্রন্থ’ ও ‘হোসেন বখত স্মারক গ্রন্থ’ প্রকাশিত হয়েছে।
১৯৯১ সালে সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ২০০০ সালে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দোয়ারাবাজার উপজেলার ‘মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন হেলাল খসরু হাইস্কুল এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। এছাড়াও সেক্টর কমান্ডার ফোরাম- মুক্তিযুদ্ধ ‘৭১ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধু চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র সুনামগঞ্জের আহবায়ক ছিলেন। তিনি সহ ৬ জন দগৌরবের মুক্তিযুদ্ধ’ নামে একটি সামাজিক সেবামূলক সংগঠন গড়েন। প্রত্যুষে পায়ে হেঁটে শরীরচর্চা করার জন্য তিনি সহ আরো অনেকে গড়ে তুলেন ‘সোনালী সকাল’ নামে একটি সংগঠন। দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন তিনি।
হাসান শাহরিয়ার
১০ এপ্রিল শনিবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান প্রথিতযশা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ার। বাংলাদেশের যে ক’জন সাংবাদিক আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিতি লাভ করেছেন, তাঁদের মধ্যে হাসান শাহরিয়ার অগ্রগণ্য। লেখাপড়া করেছেন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় ও সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে। ১৯৬৪ সালে করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করেন অনার্স সহ এমএ ডিগ্রি। ১৯৬৪ সালে সাপ্তাহিক দ্যা ডেমোক্রেট পত্রিকায় সাংবাদিকতায় হাতে খড়ি।
পঞ্চাশ বছরের বেশী সময় ধরে তিনি ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় প্রকাশিত দেশ বিদেশের মর্যাদা সম্পন্ন পত্রিকায় কাজ করেছেন। বলিষ্ট লেখনির মাধ্যমে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করেছেন বিশ্ব দরবারে। একাধারে কলাম লেখক ও বিশ্লেষক; দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক, জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি ছিলেন। নেতৃত্ব দিয়েছেন ওভারসিজ করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ওকাব), দক্ষিণ এশিয়া প্রেসক্লাব, কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (সিজেএ) ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস ও জাতীয় প্রেসক্লাব সহ দেশি বিদেশী অনেক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সংগঠনের। টরেন্টো ভিত্তিক কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তিনিই প্রথম সাংবাদিক যিনি ২০০৩ ও ২০০৮ সালে এই সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
হাসান শাহরিয়ার এর ‘নিউজউইক-এ বাংলাদেশ: মুক্তিযুদ্ধ বিজয় এবং তারপর’ গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে। ২০২০ সালে প্রকাশিত হাসান শাহরিয়ারের সর্বশেষ গ্রন্থ ‘যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা‘। ‘অতীত, অতীত নয়’ হাসান শাহরিয়ারের একটি কালজয়ী গ্রন্থ। ২০১৭ সালে প্রকাশিত ‘শেষ ভালো যার সব ভালো তার‘ গ্রন্থটিও ব্যাপক পাঠক প্রিয়তা লাভ করেছে। ২০১৮ সালে প্রকাশিত প্রয়াত সমাজবিজ্ঞানী ড. মীজানূর রহমান শেলী সম্পাদিত ‘হাসান শাহরিয়ার সাংবাদিকতায় জীবন্ত কিংবদন্তি’ গ্রন্থে হাসান শাহরিয়ারের জীবন ও কর্মের বর্ণনা রয়েছে। প্রথিতযশা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ার জন্মেছিলাম ব্রিটিশ ভারতে, বড় হয়েছেন পাকিস্তানে, কর্মজীবন শেষ করে অবসরের দিনগুলো কাটিয়েছেন বাংলাদেশে।
কৃতি ফুটবলার সাইফুল ইসলাম
৬ আগস্ট শুক্রবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা গ্রামের বাসিন্দা পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলে সুনামগঞ্জের প্রথম ফুটবলার মো. সাইফুল ইসলাম (৮৭)। জেলা প্রশাসন থেকে প্রকাশিত ‘সুনামগঞ্জ পরিচিতি’ বইয়ে উল্লেখ আছে, মো. সাইফুল ইসলাম জেলার একজন কৃতি ফুটবলার ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ব্যাডমিন্টন, ভলিবল ভালো খেলতেন। ১৯৬৪ সালে তিনি সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে পাকিস্তান জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পান। অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলে সুযোগ পাওয়ায় সুনামগঞ্জের প্রথম খেলোয়াড় তিনি। পরবর্তী সময়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেন এবং জামালগঞ্জের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন।
ফজলুল হক আসপিয়া
১৫ সেপ্টেম্বর বুধবার সুনামগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবেক হুইপ ফজলুল হক আসপিয়া (৮২) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৫৫ সালে এসএসসি পাস করে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ১৯৫৭ সালে এইচএসসি এবং ১৯৬২ সালে একই কলেজ থেকে ডিগ্রী পাস করেন। পরে ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রী অর্জন করে ১৯৬৬ সালে সুনামগঞ্জ জজ কোর্টে আইনপেশায় যুক্ত হন। তিনি সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। প্রবীণ রাজনীতিক মো. ফজলুল হক আসপিয়া বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি সুনামগঞ্জ ৪ আসন (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) থেকে একাধিক বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ডা. সতীশ চন্দ্র দাস
১৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর এলাকার বাসিন্দা প্রবীণ চিকিৎসক সতীশ চন্দ্র দাস (৯১) পরলোকগমন করেন। সতীশ চন্দ্র দাস ১৯৫৭ সাল থেকে সুনামগঞ্জ শহরে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত ছিলেন। শহরে সেই সময়ে দু-তিনজন চিকিৎসকের মধ্যে তিনি ছিলেন একজন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সুনামগঞ্জ সীমান্তের ওপারে ভারতের বালাট ক্যাম্প ও মইলাম অস্থায়ী ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের সেবা দিয়েছেন। ২০১৭ সালের ২৬ ফেরুয়ারি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির ৭ জনের স্বাক্ষরিত তালিকায় ৩৩ নম্বরে তাঁর নাম অন্তর্ভূক্ত হয়। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভূক্ত হয়নি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীর
২৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সুনামগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীর মারা যান। ১৯৭১ সনে দশম শ্রেণির ছাত্রাবস্থায় বাড়ি থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বালাট সাবসেক্টরের প্রথম ব্যাচের একজন গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন। যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরে তিনি অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের পাশাপাশি সামাজিক নানা আন্দোলনেও যুক্ত ছিলেন। স্বৈরশাসক এরশাদ এর সময়কালে চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মিছিল করে গ্রেপ্তার হন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। জেলা আওয়ামী লীগের দুই বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুর রহিম
দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুর রহিম (৭৫) করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৩০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। তিনি উপজেলার নরসিংহপুর ইউনিয়নের লাস্তবেরগাঁও গ্রামের কুবাদ উল্লাহ’র ছেলে। এর আগে ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দোয়ারাবাজার উপজেলার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। ছাত্রাবস্থায় সিলেট মেডিকেল কলেজের (বর্তমানে ওসমানী মেডিকেল কলেজ) ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ডিংরাই ইয়ুথ ক্যাম্প ও ডিংরাই রিফউজি ক্যাম্পের চিকিৎসক ছিলেন। ১৯৭৯ সালে ছাতক-দোয়ারা আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুর রহিম।
এ বছরের হারানোর তালিকা আরও সুদীর্ঘ। এ তালিকায় রয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম, সুনামগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকাস্থ সুনামগঞ্জ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. কনিজ রেহনুমা রাব্বানী ভাষা, ছাতকে পৌর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ও আওয়ামীলীগ নেতা অজয় ঘোষ, জগন্নাথপুরের কৃতি সন্তান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সয়েল সাইন্স বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শাহজাহান চৌধুরী, সুনামগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনের সব্যসাচী খেলোয়ার নুরুল হক আম্বিয়া, সুনামগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রিয়মুখ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোকসঙ্গীত শিল্পী ও গুণি সঙ্গীত প্রশিক্ষক কৃষ্ণ চন্দ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, জগন্নাথপুর উন্নয়ন সংস্থার ইসিমেম্বার মানবাধিকার সংগঠক তছির আলী, ছাতক কনকচাঁপা খেলাঘর আসরের যুগ্ম সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সুনামগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক চিত্রশিল্পী এসএম হারুন-অর রশীদ, সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের গভর্নমেন্ট প্রসিকিউটর (জিপি) মো. মফচ্ছির মিয়া, সুনামগঞ্জ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কাউন্সিলর শাহ আবু জাকের, ট্যাকেরঘাট ৫নং সাব সেক্টরের কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোজাহিদ উদ্দিন আহমেদ, সুনামগঞ্জের সাবেক সিভিল সার্জন মো. আবদুন নূর, স্মৃতি ব্যাকরণ ও কাব্যতীর্থ পন্ডিত কৃপাময় চক্রবর্ত্তী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ বীরপ্রতীক, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান সহ আরো অনেকে।


