হাওরের ফসলরক্ষা বাধঁ নিমার্ণ পরিকল্পনায় স্থানীয় কৃষকদের মতামত জানতে হালির হাওর পরিদর্শন করেছেন হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের জামালগঞ্জ উপজেলা শাখা নেতৃবৃন্দ। বুধবার দিনব্যাপি হাওরের কালিবাড়ির খালসহ ১৫ টি ছোট বড় ক্লোজার ও বেড়ি বাঁধ পরিদর্শন করেন তারা।
হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার আহবায়ক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদের নেতৃত্বে হাওর ও বাঁধ পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শাখার সদস্য সচিব অঞ্জন পুরকায়স্থ, বেহেলী ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক আমিনুল হক মনি, সদস্য সচিব আবুল হোসেন, কৃষক সাব্বির আহমদ, আরিফ আলম রিপন, কালিবাড়ি ক্লোজারের নিকটবর্তী গ্রামের কৃষক ময়না মিয়া, মাসুক মিয়া, জয়নাল আবেদীন, সামছু মিয়া, মইন উদ্দিন, মইনুল হক, রিয়াজ উদ্দিন, শাহ আলম, আফজাল হোসেন, হারিছ মিয়া, সুধাংশু তালুকাদার প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ হালির হাওরের লক্ষ্মীপুরের খাল, নেতুয়ার খাল, সুচিয়ার খাড়া, ডাকাত খালি, ঘনিয়ার বাঁধ, বদরপুরের খাল, জামিনের খাড়া, পুটিয়া নদীর বাঁধ, বার কুড়ির বাঁধ, খলা চানঁপুরের বাঁধ শনির হাওরের লালুখালির বাধঁ, নান্টু খালির বাধঁ, পুটিয়া জুড়ির বাঁধ , রহমতপুরের ঢালা ও বেলডুবের খাল পরিদর্শন করেন।
হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত বছরে কালিবাড়ির বাঁধ ভেঙ্গে অকালে সব ফসল তলিয়ে গেছে; তাই এবছরে অধিক ঝুঁকিপুর্ণ এই বাঁধের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কালিবাড়ির বাঁধসহ আগাম বন্যার হাত থেকে হালির হাওরের ফসল সুরক্ষার জন্য বিশাল গর্তগুলি মাটি দিয়ে ভরাট করতে হবে। সেই সাথে জলাবদ্ধতা ও হাওরের পানি নিষ্কাশনে ব্যবস্থা দ্রুত করতে হবে। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
- দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা ৬ গোলে জয়ী
- হাওর অঞ্চলে ১১৭ কোটি টাকার কৃষি পুনর্বাসন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার


