হিরণ মিয়ার নামে স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবি

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক উপজেলা আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সভাপতি হারুনুর রশীদ হিরন মিয়ার ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে এ উপলক্ষে হারুনুর রশিদ হিরণ মিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মৃতি সংসদের সভাপতি ইকবাল হোসন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শশি কান্ত গোপের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ সিদ্দিক আহমদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, প্রয়াতের জ্যেষ্ঠ পুত্র উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মিজানুর রশিদ ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বকুল,জগন্নাথপুর বাজার বনিক সমিতির সভাপতি আফসর উদ্দিন ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জব্বার, তৌরিস মিয়া, আপ্তাব উদ্দিন, সুন্দর আলী, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি নুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক জাহির উদ্দিন. উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন, সহসভাপতি ফজরুল ইসলাম, পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাফরোজ ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল মুকিত প্রমুখ।
সভায় বক্তরা বলেন, হারুণুর রশিদ হিরণ মিয়া ছিলেন রাজনৈতিক পুরোধা। তিনি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে উজ্জীবিত হয়ে জগন্নাথপুরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে গেছেন। তিনি এলাকার জনপ্রতিধিত্ব করেছেন বার বার। ছিলেন এখানকার মানুষের গণমানুষের নেতা। তাঁর স্মৃতিটুকু ধরে রাখতে হারুনুর রশিদ হিরণ মিয়া স্টেডিয়াম বাস্তবায়নের আহবান জানান বক্তারা।
প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ২ ডিসেম্বর পৌর শহরের ইকড়ছই এলাকার বাসিন্দা হারুনুর রশিদ হিরণ মিয়া মারা যান। তিনি তৎকালীন সদর ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালে ইউনিয়ন পরিষদকে বিলুপ্ত করে পৌরসভা রূপান্তরিত হলে ওই সময় জগন্নাথপুর প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়া তিনি মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। হারুনুর রশিদের জানাজা নামাজে অংশ নিয়ে তৎসময়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ ইকড়ছইয়ের মাঠকে হারুনুর রশিদ হিরণ মিয়া স্টেডিয়াম ঘোষণা দেন। কিন্তু মৃত্যুর ২২ বছর অতিবাহিত হলেও স্টেডিয়ামাটি আলোর মুখ দেখেনি।