১৫ টিতেই স্বতন্ত্র লড়বেন বিএনপির নেতারা

বিশেষ প্রতিনিধি
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয়ভাবে বিএনপি অংশ না নিলেও সুনামগঞ্জের ছাতক-দোয়ারার ১৯ ইউনিয়নের ১৫ টিতেই বিএনপি’র স্থানীয় ১৫ শক্তিশালী নেতা প্রার্থী হবেন। এরমধ্যে ৫ জন রয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান। আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় অনুষ্ঠিত হবে এই ইউনিয়নগুলোর নির্বাচন। ছাতক দোয়ারায় স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগ দ্বিধাবিভক্ত থাকলেও বিএনপিতে এই নিয়ে বিরোধ কম।
দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শামছুল হক নমু নরসিংহপুর ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। জেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল বারীও নির্বাচন করবেন। এছাড়া দলীয় নেতা ভোগলাবাজারের বর্তমান চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম জুয়েল, পা-ারগাঁওয়ের বর্তমান চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ, মান্নারগাঁওয়ের বর্তমান চেয়ারম্যান আবু হেনা আজিজ, লক্ষীপুরে আতাউর রহমান স্বপন, বাংলাবাজারে খুর্শেদ আলম এবং সুরমা ইউনিয়নে দলের নেতা হারুনুর রশিদ লড়বেন।
বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ বললেন, দল নির্বাচনে অংশ নেয় নি। ভোটারদের চাপে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
ছাতকের দোলারবাজার ইউনিয়নে গেল ইউপি নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন দলের স্থানীয় নেতা নুরুল আলম। দল নির্বাচনে না গেলেও নুরুল আলম নির্বাচন করবেন এবারও। চরমহল্লা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আবুল হাসনাতও নির্বাচন করবেন। কালারুখা ইউনিয়নে দলের নেতা আশরাফুল আলম প্রার্থী হবেন। ছৈলা আফজলাবাদ ইউনিয়নে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা নানু মিয়া অথবা দলের নেতা ছায়দা মিয়ান লড়বেন। জাউয়াবাজার ইউনিয়নে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এনামুল হক প্রার্থী হবেন। ইসলামপুর ইউনিয়নে মাওলানা আকিক হোসেন এবং ছাতক ইউনিয়নে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহিদুর রহমান আহবাব প্রার্থী হবেন।
ছাতক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন বললেন, বিএনপি দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। দলের কেউ নির্বাচনে অংশ নিলে নিজ দায়িত্বে অংশ নেবেন। দলের হয়ে আমরা তাকে কোন সহযোগিতা দিতে পারব না। তার মতে বিএনপি অংশ না নেওয়ায় নির্বাচন উৎসবমূখর হবে না।