১৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা সহ সভাপতি পদে প্রার্থী নেই

স্টাফ রিপোর্টার
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাঠাগারের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। এতে চারটি পদের বিপরীতে ১৫ জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তবে সহ-সভাপতির দুইটি পদে কোনো মনোনয়ন জমা হয়নি। এর আগে বুধবার সহ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ ও সাধারণ সদস্যÑএই পাঁচটি পদের বিপরীতে ১৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে চারজন গতকাল তাঁদের মনোনয়ন জমা দেন নি।
বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাড. সৈয়দ শামছুল ইসলাম এবং অ্যাড. সালেহ আহমদ। সহ সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাড. মো. শেরেনূর আলী, অ্যাড. প্রসেনজিৎ দে, নোয়াজ উদ্দিন আহমদ ও অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসেন।
কোষাধ্যক্ষ পদে একজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তিনি হলেন শাহ আবু নাসের। এ ছাড়া সাতটি সাধারণ    সদস্য পদের বিপরীতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আটজন। তাঁরা হলেন সাংবাদিক পঙ্কজ দে, অ্যাড. আব্দুর রায়হান জুয়েল, অ্যাড. আমিনুর রশিদ রনক, এনামুল হক চৌধুরী, সাংবাদিক দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী, অ্যাড. বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, অ্যাড. মো. রমজান আলী ও মো. মশিউর রহমান ।
জানা গেছে, সহ সভাপতি পদে সুনামগঞ্জের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও লেখক স্বপন কুমার দেব এবং মুক্তিযোদ্ধা-আইনজীবী বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু’র পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার তাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দেননি। তাঁদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন পাঠাগারের বর্তমান সহ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক-আইনজীবী খলিল রহমান।
খলিল রহমান দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরকে বলেছেন,‘আইনজীবী স্বপন কুমার দেব ও বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু দীর্ঘদিন থেকে পাঠাগারের সহ সভাপতি পদে আছেন এবং পাঠাগারের উন্নয়নে কাজ করছেন। আমি তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই মনোনয়পত্র সংগ্রহ করেছিলাম। আমি জানতাম না স্বপন কুমার দেব বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এছাড়া বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু হয়তো ব্যক্তিগত কারণে মনোনয়নপত্র জমা দেননি।’
সাধারণ সদস্য পদে ডা. সৈয়দ মোনাওয়ার আলী এবং আ ত ম মিসবাহ’র পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হলেও বৃহস্পতিবার তাঁরা মনোনয়পত্র জমা দেন নি।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল নয়টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত পাঠাগারে ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে আছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি) আইনুর আক্তার পান্না। রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে আছেন জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) সোহেল রানা।