২শত’ মিটার কাচা সড়কে দুর্ভোগ হাজারো মানুষের

মো: ওয়ালী উল্লাহ সরকার, জামালগঞ্জ
জামালগঞ্জ উপজেলা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কামলাবাজ থেকে নয়াহালট গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র সড়কের বেহাল অবস্থা। গত বন্যায় সড়কটি ভেঙে বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়। এখন ঝুঁকি নিয়ে সড়কে চলাচল করতে হয় জনসাধারণকে। বর্ষা মৌসুমে সড়ক ডুবে গেলে চলাচল একদম বন্ধ হয়ে যাবে। তখন দুই কিলোমিটার ঘুরে উপজেলা সদর ও ইউনিয়ন পরিষদে আসতে হবে তাদের। মাত্র ২শত’ মিটার কাচা সড়কের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
দক্ষিণ কামলাবাজ খাদেমুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাও: কাওছার আহমদ জানান, আমাদের মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রীদের আসা-যাওয়ার একমাত্র সড়কা এটি। একটু বৃষ্টি হলে বর্ষাকালে এই সড়কে কেউ যাতায়াত করতে পারবে না।
নয়াহালট মাদ্রাসার মুহতামিম মাও. দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত বন্যায় সড়ক ভেঙে ছোট ছোট খালের সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র ২শত’ মিটার সড়ক করলে জনগণের চলাচলের উপযোগী হয়ে যাবে। সড়ক সংস্কার হলে আমাদের মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীসহ প্রায় ৩হাজার লোকের দুর্ভোগ কমে আসবে। এছাড়াও এই সড়ক সংস্কার না করলে পানির ¯্রােতে জামালগঞ্জ সেলিমগঞ্জ সড়কও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে। তাই উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি দ্রুত সড়ক সংস্কার করার জন্য।
নয়াহালট সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি বরুণ কুমার দাস বলেন, সামনে অক্টোবর মাসে আমাদের দুর্গাপূজা। পূজায় শতশত দর্শনার্থী আসা-যাওয়া করেন। সড়ক মেরামত না করা হলে পূজায় দর্শনার্থী আসতে পারবে না।
জামালগঞ্জ দারুস সুন্নাহ মাদানিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মো. আলতাফুর রহমান বলেন, এই সড়ক দিয়ে নয়াহালট গ্রামের প্রায় ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া করে। গত বন্যায় সড়ক ভেঙে যাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের মাদ্রাসায় আসতে খুব কষ্ট হচ্ছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার না করলে বর্ষাকালে নয়াহালটের সাথে জামালগঞ্জের এই সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। তাই সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি দ্রুত সড়ক সংস্কার করে এলাকার মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা জন্য।
জামালগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন বলেন, আমি ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় আছি। ঢাকা থেকে এসে সড়ক দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।