স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া দরিদ্র মেধাবী আমির হোসেনকে ৬ বছরব্যাপি আর্থিক সহায়তা দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা ভিত্তিক বাঙালিদের সংগঠন দি অপটিমিস্টস্। অপটিমস্টস্’এর জেলা পরিচালক গোলাম কিবরিয়া শনিবার দুপুরে আমির হোসেনকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। গত ১৪ অক্টোবর দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় থাকা ৩ শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘স্বপ্ন দেখান তারা’ শিরোনামে রিপোর্টটি অনলাইনে দেখে আমেরিকার
বাঙালিদের সংগঠন দি অপটিমিস্টস্’এর সংগঠকরা তাঁদের সুনামগঞ্জ জেলা পরিচালক গোলাম কিবরিয়াকে জানিয়ে দেন, তাঁরা আমির হোসেনকে ৬ বছরব্যাপি আর্থিক সহায়তা দেবেন।
জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের পাড়ারগাঁও গ্রামের দিনমজুর সুন্দর আলী এবং মা ফাতেমা বেগম গতর খেটে পড়াশুনা করিয়েছেন আমির হোসেনকে। কলকলিয়া শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমির হোসেন একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিও মেধা তালিকায় থাকলেও কীভাবে ভর্তি হবে, ঢাকায় কোথায় থাকবে, লেখপাড়া, থাকা-খাওয়ার খরচ আসবে কোথা থেকে-এই নিয়ে চিন্তিত ছিলেন মা-বাবা।
শাহজালাল মহাবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উচ্চ শিক্ষায় সহায়তা বাবদ ১০ হাজার টাকা দেন তাকে। সেই টাকা দিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়া-আসা করেছে সে।
দি অপটিমিস্টস্’এর সুনামগঞ্জ জেলা সমন্বয়কারী গোলাম কিবরিয়া জানান, প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর আমির হোসেনকে তাঁরা অপটিমিস্টস্’এর পক্ষ থেকে ১০ হাজার আটশ’ টাকা দেবেন অর্থাৎ আমির হোসেন আগামী ৬ বছরই মাসে এক হাজার আটশ’ টাকা করে পাবেন। প্রথম কিস্তির ১০ হাজার ৮০০ টাকা গত জুলাই মাস থেকে হিসাব করা হবে এবং আগামী ডিসেম্বর মাসেই তাকে এই পরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে।
দি অপটিমিস্টস্ গত বছর স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে হতদরিদ্র রোকেয়া বেগমের এসএসসিতে সাফল্য দেখে একইভাবে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। রোকেয়া বেগম সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে পড়াশুনা করছে।
- শিক্ষা সংগ্রামী আমিরের পাশে অনেকেই-এগিয়ে এসেছেন জগন্নাথপুরের শিক্ষা সুহৃদরা
- দমকা হাওয়ায় জেলার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত- এক লাখ ২০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন


