৭১’র যুদ্ধাপরাধ তদন্তে নয় ছয় হবে না -মালুম

স্টাফ রিপোর্টার
আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল জিয়াদ আল মালুম বলেছেন, সারা দেশের মতো ১৯৭১ সালে রাজাকার আলবদর পাক-হানাদারদের দোসররা সুনামগঞ্জে অসহায় মানুষকে হত্যা, গুম, লুট, ধর্ষণ, ধর্মান্তরকরণের মতো অপরাধ করেছেন। ইতোমধ্যে ৭১র ’মানববতা বিরোধী অপরাধ তদন্ত টিম সুনামগঞ্জে তদন্ত করে গেছে। ৭১ র’যুদ্ধাপরাধ তদন্তে কোন নয় ছয় হবে না। কেননা কোন হুমকি ধামকি , হামলা আমাদের এই কাজকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। তিনি বলেন, আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে যুদ্ধাপরাধদের বিচার বাস্তবায়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সত্য কখনও লুকিয়ে থাকে না । একদিন না একদিন প্রকাশ পায়। তাই এই অঞ্চলে তৎকালীন সময়ে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে প্রত্যক্ষ,   
পরোক্ষ তথ্য-উপাত্ত,যুক্তি ও প্রমাণ দিয়ে সেগুলো বের করতে হবে। এদেরকে রক্ষা বা গোপন রাখলে বিবেকের আদালত আপনাকে ক্ষমা করবে না। সত্যিকার ইতিহাস গোপনের দায় আপনাকে নিতে হবে। ইতিহাস গোপন করলে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম আপনাকে ক্ষমা করবে না।
সোমবার বিকাল ৫ টায় সার্কিট হাউজে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সুনামগঞ্জে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি  এসব কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় জেলা -উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম, রাজনেতিক ও সামজিক, সাংবাদিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট.  জেলা  মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের সাবেক কমান্ডার হাজী নুরুল মোমেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড.আলী আমজাদ, আতাউর রহমান, অ্যাড. রইস উদ্দিন আহমদ, যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান,  আব্দুল হাসিম, পাবলিক প্রসিকিউটর ড. খাইরুল কবীর রোমেন, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. শফিকুল আলম, অ্যাড.রাবেদ মিয়া, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শিমন চৌধুরী প্রমুখ।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এনডিসি নাহিদ হাসান খান, শিক্ষাবিদ ধূর্জটি কুমার বসু, মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান, মুনিরউদ্দিন, ছলিমুল্লাহ, জেলা সিপিবির সভাপতি চিত্তরঞ্জন তালুকদার, নারীনেত্রী শীলা রায়, জেলা আওয়ামীরীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম শামীম, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আসাদুজ্জামান সেন্টু, তাহিরপুর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অমল কর প্রমুখ।