স্টাফ রিপোর্টার
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য কমরেড প্রসূন কান্তি বরুণ রায় এর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে কমরেড বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের আয়োজনে এই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ধূর্জটি কুমার বসু এবং সঞ্চালনা করেন জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।
অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমরেড প্রসূন কান্তি বরুণ রায় এর সহধর্মিনী ও জেলা উদীচীর সভাপতি শীলা রায়, শিক্ষাবিদ পরিমল কান্তি দে, মুক্তিযুদ্ধ চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের আহবায়ক বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু, জেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি গৌরি ভট্টাচার্য্য, রামানন্দ দাশ, সুখেন্দু সেন, কৃষক নেতা অমর চান দাশ, রমেন্দ্র কুমার দে, সিনিয়র আইনজীবী ও কলামিষ্ট হোসেন তওফিক চৌধুরী, জেলা সিপিবি সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এনাম আহমেদ, জেলা যুব ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি আসাদ মনি।
স্মরণ সভায় বক্তারা বলেন, জীবনের ১৪টি বছর নির্জন কারাবাসে কাটিয়েছেন পাকিস্তানি অন্ধকার যুগের নন্দিত জননেতা বরুণ রায়। মাতৃভূমি ও জনগণের কল্যাণে জীবন উজাড় করে আজীবন
সৎ, ত্যাগী ও নির্লোভ রাজনীতি করেছেন। জীবনের সুন্দরতম দিনগুলো কারাগারে ও আত্মগোপনে কাটিয়েছেন। সমাজ ও পারিপার্শ্বিকতায় তিনি তারুণ্যের মতো করেই দেখেছেন। বার্ধক্যের দিনগুলোতেও তারুণ্যের উদ্যমে সচল ও গতিশীল থাকতেন। এজন্য যুবক-তরুণেরা তাঁকে শ্রদ্ধায় ভালোবাসায় সব সময় সিক্ত করেছে। প্রতিটি কালকে প্রত্যক্ষ করেছেন প্রাজ্ঞ রাজনীতিকের সচেতন দৃষ্টি দিয়ে।
স্মরণ সভার পূর্বে শীতার্ত মানুষের মধ্যে ১০০ শীতবস্ত্র বিতরণ এবং ১৪ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।


