স্টাফ রিপোর্টার
শাল্লা উপজেলায় একটি জলমহালে বেআইনিভাবে পাম্প বসিয়ে সেচ করে মাছ ধরার সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে আটক ও দুটি সেচ পাম্প জব্দ করা হয়। পরে প্রকাশ্যে সেচ পাম্প দুটি বিক্রি ও আটক ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে উপজেলার বরাম হাওরের গোসাইর বিল নামের ওই জলমহালে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মুক্তাদির হোসেন। এসময় তাঁর সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা ছিলেন। অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তিনি।
এর আগে এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত দেন স্থানীয় কৃষেকরা। কৃষককেরা অভিযোগে উল্লেখ করেন, শাল্লা উপজেলার বরাম হাওরের গোসাইর বিল ও নিত্যার দাইর বিলে কয়েকদিন থেকে পাম্প লাগিয়ে সেচ করছিলেন ইজারাদারের লোকজন। দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের নাসনী গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য স্বাধীন মিয়া ও তার লোকজন এই দুটি বিল ওয়াকফ এস্টেট থেকে ইজারা এনে গত কয়েক বছর ধরে মাছ আহরণ করছেন। বিল শুকানোর কারণে শাল্লা ও দিরাই উপজেলার নোয়াগাঁও, হবিবপুর, নাসনি, চন্ডীপুর, সন্তোষপুর বামনগাঁও গ্রামের কৃষকেরা বোরো আবাদে সেচ সংকটে পড়বেন। এতে করে হাওরে বোরো আবাদ বিঘ্নিত হবে। কিন্তু ওই লোকজন প্রভাবশালী হওয়ায় কৃষককেরা কোনো কিছু করতে পারছেন না।
সোমবার সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযান চালান। এ সময় দুটি সেচ পাম্প জব্দ ও ফখর উদ্দিন নামের একজনকে আটক করা হয়। পরে জলমহালের পাশের বাজারে প্রকাশ্য নিলামে পাম্প দুটি ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। ফখর উদ্দিনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ব্যাপারে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল মুক্তাদির হোসেন সাংবাদিকদের জানান, জলমহাল শুকিয়ে মাছ আহরণ বেআইনি। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি ওই জলমহালে অভিযান চালিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন।
- বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি: যে কোনো দিন এইচএসসির ফল
- পাগনার ঝুঁকিপূর্ণ উজ্জ্বলপুরের ভাঙায় কাজ শুরু হয় নি


