আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের খাগেরগাঁও-নারায়ণতলা যাতায়াতের মাটির সড়কে বর্ষায় কাদার সৃষ্টি হয়। মানুষ ও যানবাহন চলাচল সম্ভব হয় না। প্রতিবছর বর্ষায় এই সড়কে চলাচলে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যায়। তাই মাটির সড়কের দ্রুত পাকাকরণের দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলকাটা বাজার সংলগ্ন সেতুর উত্তর দিকে হাতের বামে খাগেরগাঁও গ্রামের একাংশ, নুরুজপুর ও আইমাগাঁও হয়ে নারায়নতলা বিজিবি’র ক্যাম্প পর্যন্ত এই সড়কে যাতায়াত করা যায়। পরে একই সড়কের উপর রয়েছে পুরাতন ধসে যাওয়া কালভার্ট সেতু। এই সেতু পার হয়ে নারায়নতলা স্কুলের পাশে দিয়ে যাওয়া যায় চৌমুহনী এবং সোজা সড়কে ডলুরা শহীদ মিনার। খাগেরগাঁও-নারায়নতলা এলাকার মানুষের শটকাট চলাচলের বাইপাস সড়ক এটি। এই সড়কটি বর্ষায় বৃষ্টির দিনে কাদার সৃষ্টি হয়। এতে মানুষজন ও যানবাহন চলাচল করতে পারেন না। তাই এলাকাবাসীর দাবি মাটির সড়কটি পাকাকরণের।
খাগেরগাঁও গ্রামের বাবুল মিয়া, শানুর মিয়া, নাসির মিয়া জানান, খাগেরগাঁও-নারায়নতলার এই সড়কটি দীর্ঘ ১৫ বছর আগে থেকে বছর বছর মাটি ভরাট করে নির্মাণ হয়েছে। এই মাটি প্রতিবছর বর্ষায় পানিতে গলে ধুয়ে মুছে যায়। এভাবে চলতে থাকায় সড়কের মাটি ক্ষয় হয়। এবার আমাদের দাবি সড়ক পাকাকরণের।
একই গ্রামের মুর্শিদ মিয়া, আব্দুর রব জানান, খাগেরগাঁও-নারায়নতলা এই সড়ক পাকাকরণ হলে সহজ যোগাযোগের বাইপাস সড়ক হবে। মানুষ সহজে বিভিন্ন স্থানে চলাচল করতে পারবে।
নুরুজপুর গ্রামের আব্দুর রব, কামাল মিয়া, কাজল মিয়া, আব্দুর রহমান জানান, খাগেরগাঁও-নারায়নতলার সড়কের উন্নয়ন হলে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হবে। হাওরের ধান ও সবজি গাড়ি দিয়ে ঘরে নিয়ে আসা সহজ হবে।
একই গ্রামের শাহজাহান মিয়া, আব্দুল করিম, উছমান মিয়া, আব্দুল বারিক জানান, খাগেরগাঁও-নারায়নতলা যোগাযোগ সড়কের পাকাকরণ হলে এই এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হবে।
জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মুকশেদ আলী বলেন, আমি বছর বছর মাটি ভরাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এখন ভাল একটা মাটির সড়ক তৈরি হয়েছে। কিন্তু পাকাকরণ না হওয়ায় বর্ষায় মাটি টিকিয়ে রাখা যায় না। সড়কের পাকাকরণ হলে এলাকার মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হবে। যানবাহনও চলাচল করবে। এলাকার মানুষের জায়গা জমির দামও বাড়বে।
সদর উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, খাগেরগাঁও-নারায়নতলা মাটির সড়ক প্রায় ১ কিলোমিটার পাকাকরণের বরাদ্দ হয়েছে। এতে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয় হবে। সড়ক পাকাকরণে আরসিসি ঢালাই থাকবে। সড়কে থাকবে ১০ ফুট প্রস্থ। এই কাজ বাস্তবায়নের জন্য টেন্ডার হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেই সড়ক পাকাকরণের কাজ শুরু হবে।
- করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৩২০০ কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- করোনাকালে অনলাইন ব্যবসার প্রসার


