স্টাফ রিপোর্টার
মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বিবাদী কর্তৃক দোয়ারা থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার আমবাড়ি-গোপালপুর সিএনজি স্টেশনে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
সংবাদ সম্মেলনে গোপালপুর-সাউদেরগাঁও গ্রামের নির্যাতিত একাধিক ব্যক্তি জানান, সাউদেরগাঁও গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে মকবুল হোসেন এলাকায় নানা অপকর্মসহ বিভিন্ন সময়ে অযথা মারামারির ঘটনা করে আসছে। এই কারণে গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। গত ২ নভেম্বর বিকাল অনুমান ৪ টায় এবং ৩ নভেম্বর বিকাল ২টায় আরও একটি মারামারির ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। প্রথম দিনের ঘটনা গ্রামের পাশে দেখার হাওরের পদুয়া বিলে। একই গ্রামের ইসলাম উদ্দিনকে অযথা মারধর করেন মকবুল হোসেন। এতে মাথায় মারাত্মক আঘাত পান ইসলাম উদ্দিন। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উল্টো দোয়ারা থানায় মামলা দায়ের করেন বিবাদী মকবুল হোসেন। দ্বিতীয় ঘটনা ইসলাম উদ্দিনের বসতঘরের সামনের উঠানে। একইভাবে নানা ঘটনা ঘটিয়ে মকবুল হোসেন নির্যাতিতদের হয়রানি করে চলেছেন। সংবাদ সম্মেলনে গ্রামের বাসিন্দাগণ হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
নির্যাতিত ইসলাম উদ্দিন জানান, দেখার হাওরের পদুয়া বিলে মাছ শিকারে গেলে ছাই ভাংচুর করে এবং তাকে বেধড়ক মারপিট করে মকবুল হোসেন গংরা।
ইসলাম উদ্দিনের পিতা আবু সৈয়দ জানান, প্রথম দিন আমার ছেলেকে হাওরে মারধর করে আবার দোয়ারা থানায় আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করে মকবুল হোসেন। দ্বিতীয় দিন আমার বাড়ির উঠানে মারামারির ঘটনা করে মকবুল হোসেন গংরা। এখন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গ্রামের বাসিন্দা সওকত আলী, সিরাজুল হক, গিয়াস উদ্দিন, নুর আহমদ মাসুম, হাফিজ আনসার উদ্দিন, মো. আক্রম আলী, মদরিছ আলী, আলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
অভিযুক্ত মকবুল হোসেন বলেন, আমি মারামারির ঘটনা করেছি। তবে ছাই ভাংচুর করিনি। এসব ঘটনার সত্যতা পেলে আমার বিরুদ্ধে লিখলে আপত্তি নেই। আমি বিচারের জন্য অনেক মানুষকে বলেছি। বিচার পাইনি বলে মামলায় গেছি। এখন যদি আবার সালিশে বসি, তবে আমার লোকজনের সাথে আলাপ করে মুরব্বীদের জানাতে হবে।
দোয়ারা থানার এস.আই মিজানুর রহমান বলেন, আমি ঘটনার তদন্ত করেছি। এসময় স্থানীয়রা সালিশে মীমাংসা করবেন বলে জানিয়েছেন। এখনও ঘটনার মীমাংসার কোনো খবর পাইনি।


