স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার নবীনগরের শেষ প্রান্তের সুমন ‘স’ মিল থেকে ধারারগাঁও পয়েন্ট পর্যন্ত এবং ধারারগাঁও থেকে গোদারগাঁও পর্যন্ত সড়কের মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে এই কাজ শুরু হয়েছে। এই সড়ক টেকসই উন্নয়নের দাবি স্থানীয়দের।
সুরমার উত্তরপাড়ের লক্ষাধিক মানুষের শহরে আসা-যাওয়ার সহজ যোগাযোগ মাধ্যম এই সড়ক। গত তিন বছর আগে বন্যায় সড়ক ভেঙে যায়। সড়ক ভেঙে যাওয়ার পর মানুষ চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছিলেন। দীর্ঘদিন পর এবার এই সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে।
পথচারী শরীফ উদ্দিন বলেন, এই নবীনগর এলাকায় সড়কের কাজে সব সময় অনিয়ম হয়। কেউ কথা বলে না। কথা বলেও লাভ হয় না। সবাই একই সুতোয় গাঁথা। শুধু খাই খাই। এবারও যদি দুই নম্বরি কাজ হয় সড়কে প্রয়োজনে একাই আন্দোলনে নামবো।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু তাহের বলেন, কাজে কিছুটা অনিয়ম হয়েছে। পরে আমি বাধা দিয়েছি। কাজ ভাল করে দেবেন বলে সড়ক নির্মাণ কাজের ঠিকাদার আশ্বস্থ করেছেন। আমরা চাই এই সড়কের কাজ যেন টেকসই হয়।
কুরবাননগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.আব্দুল কাইয়ুম বলেন, সড়ক উন্নয়ন কাজের শুরুতে অনিয়ম হয়েছে। আমি সাথে সাথে উপজেলা প্রকৌশলীকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছি উন্নয়ন কাজ সরেজমিনে দেখার জন্য। এই সড়কে চলাচলে মানুষ বছরের পর বছর ভোগান্তির শিকার হয়। এই জন্য সড়কের টেকসই উন্নয়নের দাবি আমাদের।
জেলা আ.লীগ নেতা অ্যাড. নুরে আলম সিদ্দিকী উজ্জল বলেন, এই সড়ক ভেঙে যাওয়ার পর লাখো মানুষের মারাত্মক ভোগান্তি হয়েছে। দীর্ঘদিন পর এই সড়কের কাজ হওয়ায় আমরা খুশি। কিন্তু সড়কের উন্নয়ন কাজ নি¤œমানের হচ্ছে। আমরা কাজে বাধা দিয়েছি যেন ভাল করে কাজ করে। গার্ডওয়াল নির্মাণে অনেক ত্রুটি হয়েছে। ভাগের সিমেন্ট থেকে কম দেয়া হচ্ছে। নতুন ইট পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ভিজানো হচ্ছে না। আরও অনেক ত্রুটি আছে। এই সড়ক টেকসই উন্নয়নের দাবি আমাদের।
সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নবীনগরের শেষ প্রান্তের সুমন ‘স’ মিল থেকে ধারারগাঁও পয়েন্ট পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন কাজ হচ্ছে। এদিকে ধারারগাঁও থেকে গোদারগাঁও পর্যন্ত প্রায় ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মেরামত কাজ হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে এই এই সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। এই সড়ক অতি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সড়কের কাজে কোনো অনিয়ম হবে না। আমি সার্বক্ষণিক তদারকি করছি।


