স্টাফ রিপোর্টার
‘প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু বহুমুখি গুণের অধিকারী ছিলেন। তিনি প্রতিবাদি, বিনয়ী, সৎ ও সাহসী ছিলেন। মানুষের ক্রান্তিকালে সব সময়ই পাশে দাঁড়িয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে মৃত্যুর দিন পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি সৃজনশীল মানুষ ছিলেন। নতুন প্রজন্ম তাঁকে অনুসরণ করলে সমাজ ও জাতি উপকৃত হবে।’
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহিদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরু স্মৃতি পরিষদ’এর আয়োজনে স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক অধ্যাপক পরিমল কান্তি দে। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাড. আইনুল ইসলাম বাবলু।
স্মরণ সভায় বিশিষ্টজনদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র নাদের বখত, অ্যাড. হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী, অ্যাড. হোসেন তওফিক চৌধুরী, শীলা রায়, অধ্যক্ষ নীলিমা চন্দ, নৃপেশ তালুকদার নানু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুল হাকিম, অ্যাড. শহীদুজ্জামান চৌধুরী, অ্যাড. মতিউর রহমান পীর, অ্যাড. মাসুক আলম, ইশতিয়াক রুপু, রজত কান্তি সোম মানস, অ্যাড. হায়দার চৌধুরী লিটন, দিলারা বেগম, গৌরী ভট্টাচার্য্য, পঙ্কজ দে, উজ্জ্বল মেহেদী, মুক্তাদির আহমদ মুক্তা, আশরাফ হোসেন লিটন, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরু’র মেয়ে সারাফ ফারহিন চৌধুরী দিয়া।

স্মরণ সভা সঞ্চালনা করেন জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম। স্মরণ সভার শুরুতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ’বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু : বীরত্ব ভরা এক বীরের জীবন’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এর আগে বিকাল ৫ টায় ষোলঘর পয়েন্টে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরু সড়ক’ এর ফলক উন্মোচন করেন সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখ্ত।


