স্টাফ রিপোর্টার
রমজান মাসে দাম কমেনি ইফতার উপকরণের। ইফতারের বাজারে এবার লেগেছে আগুন। শসা, লেবু, আনারস, ও খেজুরের মূল্য বেশি। গত বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় উৎপাদনও ভাল হয়নি। ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছে শশা ও লেবুর। দীর্ঘ খরায় গাছ সঠিক সময়ে বড় হতে পারেনি এবং ভারী বৃষ্টিতে গাছের ফুল ঝরে পড়েছে। এতে উৎপাদন ভাল হয়নি বলে জানান একাধিক কৃষক।
শহর ঘুরে দেখা যায়, কালীবাড়ি রোড, ট্রাফিক পয়েন্ট, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে, পৌর মার্কেটের সামনে, বালুর মাঠে ও থানার সামনে হাইব্রিড শসা, আনারস ও সরবতের লেবু বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। শীলা শসা এখনও বাজারে আসেনি। সুস্বাদু শীলা শসা আরও পনের দিন পর বাজারে আসতে পারে বলে জানান কৃষকেরা।
এদিকে, শহরের প্রধান ডাকঘর এলাকায় এবং ফলের দোকানে সাধারণ খেজুর বিক্রি করা হচ্ছে। ভালমানের খেজুর ৪ শত টাকা পর্যন্ত ফুটপাতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি খেজুর সর্বোচচ ৯ শত টাকা পর্যন্ত বেকারী ও ভূষিমালের দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে।
গত বছর খোলা বাজারে সাধারণ মানের খেজুরের কেজি মূল্য ছিল ৫০ টাকা থেকে ৭০ টাকা, এবার খেজুর প্রতি কেজি ১ শত টাকা। লেবু প্রতি হালি (কাগজী) ৪০ টাকা থেকে ১শত টাকা। গত বছর ছিল প্রতি হালি ১৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা। হাইব্রিড শসা প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৭০ টাকা। বাইরের জেলা থেকে আগত আনারস প্রতি হালি ২ শত টাকা থেকে ৩২০ টাকা।
মুসলিমপুর এলাকার কৃষক আব্দুল গণি বলেন, এবার অতি খরায় শসা ও লেবুর সামান্য ক্ষতি হয়েছে। যদি সঠিক সময়ে বৃষ্টি হতো তবেই সব ধরণের ফসলের ভাল হতো। এখন হাইব্রিডের শসা বাজারে পাওয়া যাবে। জৈব সারে উৎপাদিত শীলা শসা এখনও বাজারে আসছে না, আসবে আরও অন্তত পনের দিন পরে।
শহরের ব্যবসায়ী জহুরুল মিয়া বলেন, লেবু এখনও পরিপক্ক হয়নি। ফলে লেবু তিতা লাগে। আরও কয়দিন পর ভালমানের লেবু বাজারে আসবে বাইরের জেলায় রফতানীও হবে। আমরা শসা ও লেবু দামে কিনি, দামে বিক্রিও করি।
শহরের ষোলঘর এলাকার ক্রেতা দবির আলী বলেন, বাজারের সব জিনিসে আগুন। রমজানে লেগেছে লেবু, শসায় ও খেজুরে। রমজানে সকল রোজাদারদের চাহিদা থাকায় এ গুলোর দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ক্রেতা রহিম উদ্দিন বলেন, বাইরের জেলার আনারসের মজায় কোনো গ্যারান্টি নেই। মাঝে মাঝে নিই অনেক দামে। আছে এক রকমের, তবে হাসাউড়ার আনারসের মতো নয়।
- তাহিরপুরে ৭০ ভাগ ভর্তূকিতে কৃষকদের মাঝে কম্বাইন্ড হারভেস্টার বিতরণ
- সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ৬ দিনব্যাপী ভর্তি মেলার আয়োজন


