স্টাফ রিপোর্টার
জগন্নাথপুরের দিঘলবাকের সেই বাড়ির অপরাধী আফজল হোসেনকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারে নি পুলিশ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সোমবার সন্ধ্যা ছয় টা) আফজলের বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। এদিকে রোববার রাতে সিলেটের পীর মহল্লা এলাকা থেকে আফজলের বাবা আখলাকুর রহমান (৭০) এবং তার ছোট ছেলে আমজাদুর রহমান (২২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকালে এই দুজনকেই জেলা হাজতে পাঠান জগন্নাথপুর আমল গ্রহণকারী আদালতের বিচারক।
কোর্ট ইন্সপেক্টর বোরহান উদ্দিন জানান, জগন্নাথপুরের দিঘলবাকে বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারের পর গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
দিঘলবাকের বাসিন্দা রোমান আহমদ জানান, আখলাকুর রহমানের বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশ। পুলিশের ১০-১২ জনের দল পালাক্রমে ওখানে ডিউটি করছে। এলাকার লোকজনকে ওখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
গেল শুক্রবার জগন্নাথপুর থানার এএসআই মোহাম্মদ নুরে আলম সিদ্দিক আখলাকুর রহমানের ছেলে আফজাল হোসেনের নামে আদালতের ইসূকৃত সমন জারী করতে দিঘলবাকের ওই বাড়িতে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আফজল দৌড়ে পালিয়ে যায়। আসামীর বসত ঘরের বিভিন্ন কক্ষে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস, সাদা পাউডার ও যন্ত্রপাতি দেখতে পান পুলিশ সদস্যগণ। বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পর অভিযান পরিচালনা করে বিষ্ফোরক তৈরির সরঞ্জামাদি ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানে একটি রিভোলভার, একটি লেপটপ, নয়টি টি মোবাইল ফোন, বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরীর সরঞ্জাম ও পাউডার, দুইটি ওয়াকিটকি সাদৃশ্যবস্তু ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।
রোববার রাতে এ ঘটনায় জগন্নাথপুর থানায় সাব ইন্সপেক্টর জিয়া উদ্দিন বাদী হয়ে আফজালুর রহমানকে প্রধান আসামী করে পাঁচ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
জগন্নাথপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, আখলাকুর রহমান ও তার ছেলে আমজাদুর রহমানকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত দুজনকেই জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।


