কিছুটা কমেছে পেঁয়াজের দাম

স্টাফ রিপোর্টার
আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম কেজিপ্রতি দাম কমেছে ২৫ টাকা পর্যন্ত। আগামী দিনগুলোতে আরও দাম কমবে বলে আশাবাদি ব্যবসায়ীরা।
জানা যায়, সরকার ৫ জুন থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরপরই দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেঁয়াজের দাম কমতে থাকে। কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে বাজার ঘুরে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত সুনামগঞ্জ পৌর শহর এলাকায় পেঁয়াজের পাইকারি দর ছিলো ৮০-৯০ টাকা। বৃহস্পতিবার সেই পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।
বিক্রেতারা বলেন, সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়ায় তিনদিন ধরে পেঁয়াজের দর নিম্নমুখী। কেজিতে দাম কমেছে ২৫ টাকা পর্যন্ত।
তারা বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে পুরোদমে আসা শুরু হলে দাম আরও কমবে। তখন কেজিপ্রতি ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।
রিকশা চালক মাইন উদ্দিন বলেন, কয়েক দিন আগে পেঁয়াজের কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকা ছিল, এমনটা কল্পনাই করা যায় না। সে সময়ে পেঁয়াজ কিনতে এসে বেশি দামের কারণে কম করে কিনেছি। বাড়িতে কিছু পেঁয়াজ ছিল, তা দিয়েই চালিয়েছি। আজ বাজারে এসে শুনি পেঁয়াজের দাম কমছে। তাই ৬০ টাকা কেজি দরে ভারতীয় পেঁয়াজ কিনলাম।
শহরের ওয়েজখালি এলাকার দিনমজুর আবুল হোসেন নামে এক পেঁয়াজ ক্রেতা বলেন, ৬০ টাকা কেজি দরে দেশি পেঁয়াজ কিনেছি। কয়েক দিন আগে পেঁয়াজের যে দাম ছিল, তখন তো কিনতেই পারিনি। পেঁয়াজের দাম কমায় আমরা খুশি। কয়েক দিন আগে যখন পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকায় উঠল, তখন খুবই বিরক্ত লাগছিল। এভাবে অন্যান্য জিনিসের দাম কমালে আমরার লাগি খুব ভালো হতো।
পাইকারি বিক্রেতা মখলিছুর রহমান মোল্লা বলেন, পেঁয়াজ কেজি প্রতি ২৫-৩০ টাকা করে কমেছে। আরও কমবে।
খুচরা বিক্রেতা আলী আকবর বলেন, পেঁয়াজের দাম কমেছে।দু একদিনের মধ্যে আরও কমবে।
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, পেঁয়াজের দাম কমছে। তিন-চারদিনের মধ্যে আশা করা হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা কেজিতে নেমে আসবে। আমরা মার্কেট তদারকি করছি। কোনোভাবেই যেন সিন্ডিকেট করে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াতে না পারে, সেদিকে নজরদারি করছি।