খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বিশ্বম্ভরপুরে তদন্ত নিয়ে ধূম্রজাল

স্টাফ রিপোর্টার
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের ফেয়ার প্রাইস চালের ডিলার রফিকুল ইসলাম নানচু’র বিরুদ্ধে রবিবার নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট চাল আত্মসাতের অভিযোগ দাখিল করা হয়। এই অভিযোগ দাখিলের পর     
ঘটনার তদন্ত করা হয়েছে। কিন্তু তদন্ত নিয়ে ধূ¤্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানা জানান, তদন্তে কোনো সত্যতা পাওয়া যায় নি। তবে স্থানীয় ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আক্তার হোসেন জানান, চাল আত্মসাতের ঘটনা সঠিক। স্থানীয় অনেকেই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে বক্তব্য দিয়েছেন।
চাল আত্মসাতের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি, তদন্তে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দা একাধিক ব্যক্তি এমন অভিযোগ তুলেছেন।
গত সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসাবে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান অভিযোগের তদন্ত করেন। তিনি বলেন,‘আমি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তদন্ত করেছি। তখন আমার অনুমান হয়েছে, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক একটি ঘটনা। আমি ঘটনার সত্যতা পাইনি।’
তদন্ত কর্মকর্তার সাথে উপস্থিত থাকা স্থানীয় ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আক্তার হোসেন বলেন, ‘তদন্ত চলাকালে কর্মকর্তার সঙ্গে আমি ছিলাম। এই সময় কয়েকজন চাউল আত্মসাতের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। ’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানা বলেন,‘সলুকাবাদ ইউনিয়নের ফেয়ার প্রাইস ডিলার রফিকুল ইসলাম নানচু’র বিরুদ্ধে চাউল আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করা হয়েছে। তবে কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।’