স্টাফ রিপোর্টার
ডিআইজি মো. মিজানুর রহমান পিপিএম বলেছেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ অবদান রয়েছে। রাজারবাগ থেকে পুলিশ বাহিনীই প্রথম পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বন্দুকের ট্রিগার টিপেছিল। সেই দেশপ্রেম নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী আজও জনগণের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। দেশে জঙ্গিবাদ রুঁখতে পুলিশ দিনরাত কাজ করছে। ইতোমধ্যে জঙ্গিদের শিখরে হাত দেয়া হয়েছে, আমরা অবশ্যই এদের শেকড় উপড়ে ফেলব।’
তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশকে সাধারণ মানুষের সেবার মনমানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। মানুষকে সেবা দিতে হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় স্বাধীনতার পর এই প্রথম বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগে সবচেয়ে বড় পদোন্নতি হয়েছে। নিজ নিজ কর্মদক্ষতার বলে অনেক পুলিশ সদস্য পদোন্নতি পেয়েছেন।’
সোমবার রাতে শহরের ওয়েজখালীর পুলিশ লাইন্সে সুনামগঞ্জ পুলিশ বিভাগের আয়োজনে ‘এসো মিলি সম্প্রীতির বন্ধনে’ সংস্কৃতি সন্ধ্যায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সুনামগঞ্জের বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের পদোন্নতি পাওয়া উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ। সুনামগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট সালাউদ্দিন কাজল অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান ও জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম। এছাড়া বিজিবির ২৮ ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল নাসির উদ্দিন আহমদ, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম, শিক্ষাবিদ পরিমল কান্তি দে, পিপি অ্যাড. খায়রুল কবির রুমেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শামছুল আবেদীন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নৃপেশ তালুকদার নানুসহ বিশিষ্টজনেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পর ঢাকার ধ্রুবতারা ব্যান্ডের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী এসআই টুটুল গভীর রাত পর্যন্ত সংগীত পরিবেশন করেন। এসআই টুটুলের সাথে মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করেন সুনামগঞ্জের কণ্ঠশিল্পী জেলি দাস ও সোহল রানা। এসআই টুটুল একে একে পরিবেশন করেন- ‘বন্দে মায়া লাগাইছে, পিড়িতী শিখাইছে’ ‘জানে না এই মন টা, ‘ভাল আছি ভাল থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লেখো’ ‘কেউ ভুল করে, কেউ ভুলে পড়ে’সহ অনেক গান।
- জাসদ’র জেলা কাউন্সিল সভাপতি আবু সুফিয়ান সম্পাদক সালেহীন
- জোট সরকারের আমলে বিদ্যুতের জন্য প্রাণ দিতে হয়েছে -মানিক


