নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ধর্মপাশায় শেষ হয়নি বাঁধের কাজ

এনামুল হক এনি, ধর্মপাশা
ধর্মপাশা উপজেলার ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো শেষ হয়নি কাজ। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করার কথা থাকলেও কাজ শুরু হয় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে।
জানা যায়, উপজেলার আটটি হাওরের ৩৬টি প্রকল্পের বিপরীতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে চলতি বছর হাওরের ভাঙা বন্ধকরণ ও  মেরামত কাজের জন্য  ১ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর থেকে কাজ শুরু করে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি কাজ শেষ করার কথা। কিন্তু এখনো অধিকাংশ হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হয়নি। নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু না করায় চন্দ্র সোনার থাল হাওরের শয়তানখালী ও ঘুরমার হাওরের পাশুয়ার বাঁধ ভেঙে দুটি হাওরের ৩৭৫ একর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে যায়।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ও প্রকল্প কমিটির সভাপতির গাফিলতির কারণে বাঁধের কাজ প্রতি বছর দেরিতে শুরু হয়। আর এ কারণেই বাঁধ ভেঙে ফসল ডুবির ঘটনা ঘটে।
জয়শ্রী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও গাগলাখালী ফসল রক্ষা বাঁধের প্রকল্প কমিটির সভাপতি সঞ্জয় রায় চৌধুরী বলেন, গাগলাখালী বাঁধটি খুব গভীর। এই বাঁধ মেরামতের জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৫ লাখ টাকার কাজ হয়ে গেছে। বাঁধের বাকি কাজ আগামি সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হবে।
মুগরাইন কাইঞ্চা ফসল রক্ষা বাঁধের প্রকল্প কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য মুখলেছুর রহমান বলেন, শ্রমিক না থাকায় বাঁধের কাজ শেষ হতে একটু দেরি হয়েছে। আগামি দুই তিন দিনের মধ্যেই বাঁধের কাজ শেষ হবে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস বলেন, ফসল রক্ষা বাঁধের কাজের সময় সীমা ৩০ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধির জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।