শহীদ নূর আহমেদ
বিভাগীয় শহর সিলেট ও রাজধানী ঢাকার সাথে সুনামগঞ্জ জেলাবাসীর যোগাযোগের একমাত্র সড়ক হচ্ছে সুনামগঞ্জ সিলেট সড়ক। সম্প্রতি সড়কের বিভিন্ন স্থানের দুই পাশের ভাঙ্গন ও মাটি সরে যাওয়া নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় একাধিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলেও তার সংস্কারে কোন উদ্যোগ নিচ্ছেন না সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ। সওজ কর্তৃপক্ষ সড়ক সংস্কারে কতটুকু উদাসীন তা সুনামগঞ্জ সিলেট সড়কের প্রধান তিনটি পয়েন্ট পাগলাবাজার, জাউয়া ও গোবিন্দগঞ্জ এর বেহালদশা দেখলেই সহজেই অনুমান করা যায়। পয়েন্টগুলোর কয়েক শ’ মিটার জুরে খানাখন্দে ভরপুর। ভাড়ি যানবাহন ও বৃষ্টির আঘাতে সড়কের বিটুমিন সরে গিয়ে পাকা ঢালাই ভেঙ্গে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। সড়কের ঐ সকল গর্তে বৃষ্টির পানি জমে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে পথচারীদের। বৃষ্টির দিনে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে এই তিনটি পয়েন্ট। খানাখন্দ আর ভাঙ্গাচুরা মারিয়ে এই পয়েন্ট তিনটি পার হতে যানবাহনে সময় নেয় কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ মিনিট। খানাখন্দের কারণে যানবাহন ধীর গতিতে প্রায় সময় এই পয়েন্টগুলোতে যানজট সমস্যা দেখা দেয়। একবার যানজট শুরু হলে আধা ঘণ্টা থেকেএক ঘন্টা সময় লেগে যায়। জেলার সবচেয়ে সরব তিনটি
পয়েন্টের অবস্থা দার্ঘদিন ধরে খারাপ থাকলেও সংস্কারের কোন আলমত নেই । যাতায়াত ভোগান্তি নিরসন ও যানযট সমস্যা নিরসনে জরুরী ভিত্তিতে পাগলা, জাউয়া ও গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টের সংস্কারের জন্যে তাগিদ দিয়েছেন চালক ,যাত্রী ও স্থানীয়রা।
পাগলাবাজার এলাকায় দেলোয়ার হোসেন সাইদি নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, পাগলাবাজার পয়েন্টের অবস্থা খুবই খারাপ। সড়কের অনেক স্থানেই বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে এই গর্তগুলোতে পানি জমে থাকে। কাদা মাখা রাস্তায় চলাচল করতে কষ্ট হয় সাধারণ পথচারীদের। গাড়ির ধীর গতির কারণে প্রায় সময় যানজট দেখা দেয়। এতে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয় গাড়ির যাত্রীদের। সাদিক হোসেন নামে জাউয়া এলাকার এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, জাউয়া পয়েন্টের কয়েক শ’ মিটার জুরে সড়ক ভাঙ্গাচুরা। গাড়ি দিয়ে এই পথ পার হতে ৫ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। খানাখন্দের কারণে গাড়িতে প্রচুর ঝাঁকুনি দেয়। এতে যাত্রীদের অনেক কষ্ট হয়। দীর্ঘদিন ধরে পয়েন্টের করুণ অবস্থা থাকলেও সংস্কারে কর্তৃপক্ষ উদাসীন। জরুরীভিত্তিতে পয়েন্টটি সংস্কার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন তিনি। রেজাউল করিম নামের গোবিন্দগঞ্জ এলাকার এক পথচারী গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টের একই অবস্থার কথা জানান।
এদিকে পয়েন্ট তিনটির সংস্কার কাজের বিষয়ে জানতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত একাধিক বার কল দেয়া হলেও বরাবরের মতে ফোন রিসিভ করেননি ।


