স্টাফ রিপোর্টার
কমরেড বরুণ রায়ের জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপল্েক্ষ শুক্রবার জেলা উদীচীর আয়োজনে কমরেড বরুণ রায়ের বাসভবনে স্মৃতিচারণমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক ও কমরেড বরুণ রায়ের সহধর্মিনী শীলা রায়।
জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় স্মৃতিচারণ মূলক সভায় বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধ চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের আহবায়ক অ্যাড. বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু, কমরেড বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক রমেন্দ্র কুমার দে মিন্টু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডা. সালেহ আহমদ আলমগীর, জেলা উদীচীর সহ সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. প্রসেনজিত দে, সদস্য মানব চৌধুরী, অন্তরা খাসনবিশ, অয়ন চৌধুরী, আব্দুস সালাম মাহবুব, পুলক রাজ, অর্পনা তরফদার, অর্পা, পিয়াল প্রমুখ।
স্মৃতিচারণমূলক সভায় বক্তারা বলেন, মানুষের স্বাধীনতা, অধিকার ও শোষণমুক্তির আন্দোলন যতদিন চলবে ততদিন কমরেড বরুণ রায় বেঁচে থাকবেন সংগ্রাম ও বিপ্লবী মানুষের মাঝে। সংগ্রামী ও বিপ্লবীরা কখনো মরে না। বেঁচে থাকে যুগ-যুগান্তওে, মানুষের চেতনায় ও কর্মে। পাকিস্তান আমলে আইয়ুব শাসনের বিরুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ৬২’র ও ৬৪’র শিক্ষা আন্দোলন, স্বৈরাচার আইয়ুব বিরোধী জঙ্গী ছাত্র আন্দোলন ও ৬৯’র গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লড়াকু যোদ্ধা ছিলেন কমরেড বরুণ রায়। ছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের সংগঠক। বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট আন্দোলন ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামেরও অন্যতম পরোধা। তাঁর আদর্শকে পাথেয় করেই এগিয়ে যেতে হবে।


